১৫ হাজার টাকা দামের মধ্যে মোবাইল ২০২৬
১৫ হাজার টাকা দামের মধ্যে মোবাইল যারা কিনতে চান, তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেল।
যাদের ১৫ হাজার টাকা বাজেট, তাদের জন্য কোন ফোনগুলো কেনা সবচেয়ে ভালো হবে তা
জানানো হবে।
মোবাইল ফোন নেওয়ার আগে যেসব বিষয় দেখতে হয়, গেমিং ও ক্যামেরার জন্য কোন
ফোন ভালো হবে। সেই সাথে ছাত্রছাত্রীদের জন্য সেরা কয়েকটি ফোন নিয়েও বিস্তারিত
বলা হবে। তাই দেরি না করে চলুন ১৫ হাজার টাকার মধ্যে ২০২৬ সালের কোন ফোন
গুলো সবচেয়ে বেস্ট হবে তা জেনে নিন।
পেজ সূচিপত্রঃ ১৫ হাজার টাকা দামের মধ্যে মোবাইল
- ১৫ হাজার টাকা দামের মধ্যে মোবাইল
-
মোবাইল নেওয়ার আগে যেসব জিনিস দেখে কিনবেন
- গেমিংয়ের জন্য কোন ফোন ভালো হবে
-
১৫ হাজার টাকায় কোন ফোনের ক্যামেরা ভালো হবে
-
ছাত্র ছাত্রীদের জন্য সেরা কয়েকটি ফোন
-
কোন ব্র্যান্ডের ফোন ভালো
-
ফোন কেনার সময় যে সব ভুল করবেন না
-
আলোচিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তর/FAQ
- লেখকের মন্তব্যঃ ১৫ হাজার টাকা দামের মধ্যে মোবাইল
১৫ হাজার টাকা দামের মধ্যে মোবাইল
১৫ হাজার টাকা দামের মধ্যে মোবাইল এখন আমি আপনাদেরকে এমন কিছু ফোনের নাম বলবো।
আমি ১৫ হাজার টাকার মধ্যে আজকে এমন কিছু ফোন নিয়ে এসেছি। যে ফোনগুলোর মধ্যে
আপনি ৪ থেকে ৬ জিবি র্যাম, ৫০০০ এম এ এইচ ব্যাটারি, বড় ডিসপ্লে সাথে
ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাবেন। কম টাকার মধ্যে আপনি এই সব ফোনে বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল
মিডিয়া সহ অনলাইন ক্লাস, ভিডিও দেখা এবং হালকা গেমিংও করতে পারবেন।
এই ফোনগুলো ২০২৬ সালের ১৫ হাজার টাকা যাদের বাজেট তাদের জন্য বেস্ট হবে। ফোন
গুলোর নাম হচ্ছে Samsung Galaxy A06, Realme C61, Oppo A3X, Oneplus Nord N30
Se, Itel S25, Infinix Hot 50i, Tecno Spark 30C এই ফোনগুলো আপনি ১৫ হাজার
টাকার মধ্যেই পেয়ে জাবেন। এখন আমি আপনাদের সুবিধার জন্য এই ফোনগুলোর মধ্যে আপনি
কি কি ফিচার পাবেন সে সম্পর্কে জানাবো।
১. Samsung Galaxy A06
এই ফোন মার্কেটে এসেছে ২২ আগস্ট ২০২৪ সালে। এই ফোনের ডিসপ্লে পাবেন ৬.৭ ইঞ্চি এবং
স্ক্রীন HD পিএলএস এলসিডি। এই ফোনের প্রসেসর হিসেবে Mediatek Helio G85
পাবেন। এই ফোনে আপনি পিছনের ক্যামেরা 50 MP + 2MP পেয়ে যাবেন এবং সেলফি ক্যামেরা
8MP পাবেন। ব্যাটারি 5000 mAh,
ফাস্ট চার্জ 25W এবং স্টোরেজ ৪/৬৪, ৪/১২৮ ও ৬/১২৮ পাবেন। এই ফোনের ওজন
১৮৯ গ্রাম ও কালার পেয়ে যাবেন তিনটা ব্ল্যাক, লাইট ব্লু, গোল্ড। চার্জিং
পোর্ট পাবেন ইউ এস বি টাইপ সি। এই ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাবেন সাইট বাটনে
সাথে ফেস আনলক আছে। এই ফোনের দামঃ ১২,৯৯৯ টাকা
২. Realme C61
Realme C61 এই ফোন বাজারে ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে এসেছে। বর্তমানেও এটি
বাজারে আপনি অফিশিয়ালি পেয়ে যাবেন। এই ফোনের ডিসপ্লে আপনি আইপিএস এলসিডি
পাবেন এবং ডিসপ্লের সাইজ ৬.৭৪ ইঞ্চি পাবেন। এই ফোনের মধ্যে প্রসেসর
দেওয়া আছে Unisoc Tiger T612 (Octa core)। ফোনের Ram 6/128 gb, ব্যাটারি পাবেন
পাঁচ হাজার এমএইচ সাথে ১৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং।
এই ফোনের পিছনের ক্যামেরা ৫০ মেগাপিক্সেল এবং সেলফি ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। এই
ফোনে দুইটি সিম ব্যবহার করা যাবে এবং এই ফোনটি 4g, ফোনের সাইডে ফিঙ্গারপ্রিন্ট
সেন্সর আছে এবং এটিতে ফেসলক আছে, ফোনের ওজন ১৮৮ গ্রাম। এই ফোন দুটি কালার
পেয়ে যাবেন Sparkle Gold, Dark Green। এই ফোনের দামঃ ১৪,৯৯৯ টাকা
৩. Oppo A3X
Oppo A3X এই ফোন ২০ আগস্ট ২০২৪ সালে বাজারে এসেছে। বর্তমানে আপনি এই
ফোনটি Oppo শোরুম থেকে অফিশিয়ালি কিনতে পারবেন। এই ফোনে ডিসপ্লে
৬.৬৭ ইঞ্চি এবং IPS LCD HD Saport ও 90 Hz রিফ্রেশ রেট পেয়ে
যাবেন। প্রসেসর হিসেবে Oppo কোম্পানি এর মধ্যে Qualcomm Snapdragon 6s 4G
Gen1 দিয়েছে। এই ফোনের মধ্যে আপনি র্যাম ও স্টোরেজ ৪/৬৪ এবং
৪/১২৮ পেয়ে যাবেন।
এই ফোনে পিছনের ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল এবং সামনের ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল দেওয়া
হয়েছে। ব্যাটারি ৫১০০ এমএইচ এবং ৪৫ ওয়াটের সুপার ফাস্ট চার্জিং
রয়েছে। সিকিউরিটি হিসেবে সাইডে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আছে এবং এটা ফেস আনলক সিস্টেম
রাখা আছে। এই ফোনের ওজন ১৮৭ গ্রাম এবং এই ফোনটি তিনটি কালার আছে Sparkle
Black, Starlight Whaite, Starry Purple। এই ফোনের দামঃ ১২,৯৯০ টাকা
৪. Oneplus Nord N30 Se
Oneplus Nord N30 Se এই ফোন ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ সালে বাজারে এসেছে। এই
ফোন আপনি খুব বাজারের যেকোন মোবাইল ফোনের দোকানে পেয়ে যাবেন। এই ফোনে
ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে ফুল এইচডি আইপিএস এলসিডি স্ক্রিন এবং এই ডিসপ্লের
সাইজ হচ্ছে ৬.৭২ ইঞ্চি।
সেই সাথে এই ফোনে আপনি ৯০Hz রিফ্রেশ রেট পেয়ে যাবেন। এই ফোনে প্রসেসর
দেওয়া হয়েছে MediaTek Dimensity 6020, এতে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে পাঁচ
হাজার এমএইচ এবং ৩৩ ওয়াটের সুপারফাস্ট চার্জিং। এই ফোনের পিছনের মেন
ক্যামেরা ৫০+২ মেগাপিক্সেল আর সেলফি ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল।
এই ফোন 4G ও 5G দুটোই আছে। এই ফোনের সিকিউরিটি হিসেবে আপনি
সাইডে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পেয়ে যাবেন এবং ফেস আনলক পাবেন। ফোনের ওজন ১৯৩ গ্রাম
এবং ফোনের Black Satin ও Cyan এই দুইটি কালার এভেলেবেল পাবেন। এই ফোনের দামঃ ১৬,৯৯৯ টাকা
৫. Itel S25
Itel S25 এই ফোন ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে বাজারে এসেছে। আইটেল
কোম্পানি এই ফোনের ডিসপ্লে তে অ্যামুলেট ডিসপ্লে ব্যবহার করেছে এবং ডিসপ্লের সাইজ
৬.৭৮ ইঞ্চি দিয়েছে সাথে এই ফোনের রিফ্রেশ রেট 120 Hz দিয়েছে যার
কারণে এই ফোন অনেক স্মুথ চলবে।
এই ফোনে প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে Octa core Unisoc T620, যেটা গেমিং করার জন্য
ভালো। এই ফোনের র্যাম ও স্টোরেজ ৬/১২৮ জিবি। এই ফোনের পিছনের ক্যামেরা
৫০ মেগাপিক্সেল এবং সেলফি ক্যামেরা ৩২ মেগাপিক্সেল। এই ফোনের মধ্যে ৫ হাজার ইমেজ
ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে ও ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সিস্টেম।
এই ফোনের চার্জিং পোর্ট টাইপ সি এবং নেটওয়ার্ক সিস্টেম 4G LTE, ফোনের সিকিউরিটি
হিসেবে ডিসপ্লের মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়া আছে ও ফেস আনলক ব্যবস্থা আছে। এই
ফোনের ওজন ১৮৫ গ্রাম। এই ফোনের Bromo Black, Mambo Mint, Sahara Gleam এই কালার
গুলো পাবেন। এই ফোনের দামঃ ১৩,৯৯০ টাকা
৬. Infinix Hot 50i
Infinix Hot 50i এই ফোনটি ২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বাজারে লঞ্চ
হয়েছিল। ইনফিনিক্স কম্পানি এই ফোনের মধ্যে আইপিএস এলসিডি HD সাপোর্টেড ৬.৭
ইঞ্চি একটি ডিসপ্লে দিয়েছে এবং এর রিফ্রেশ রেট 120Hz যার কারণে ফোনটি অনেক
স্মুথ চলে। এই ফোনের মধ্যে প্রসেসর দেওয়া হয়েছে MediaTek Helio
G81 এই প্রসেসর ভালো কাজ করে। এই ফোনের RAM এবং স্টোরেজ ৪/১২৮, ৬/১২৮ ও
৬/২৫৬ জিবি।
এই ফোটার পিছন ক্যামেরা ৪৮ মেগাপিক্সেল এবং সেলফি ক্যামেরা ৮
মেগাপিক্সেল। ব্যাটারি ৫০০০ ইমেজ এবং ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার। এই
ফোনের চার্জিং পোর্ট টাইপ সি। এই ফোনের সাইডে সিকিউরিটি হিসেবে
ফিঙ্গারপ্রিন্ট রয়েছে। এই ফোনের ওজন ১৮৪ গ্রাম, এই ফোনে 2g, 3g এবং 4g
সাপোর্ট করে। এই ফোনের তিনটি কালার আপনি বাজারে পাবেন Sleek Black, Sage Green,
Titanium Grey এই ফোনের দামঃ ১৩,৯৯৯ টাকা
৭. Tecno Spark 30C
টেকনো কোম্পানি তার Tecno Spark 30C এই মডেলের ফোনটি ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে
বাজারে নিয়ে এসেছে। তারা এই ফোনে ডিসপ্লে দিয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির একটি এইচডি
সাপোর্টেড আইপিএস এলসিডি স্ক্রিন। এটার রিফ্রেশ রেট ১২০ Hz এবং এর মধ্যে প্রসেসর
দিয়েছে Mediatek Helio G81 যেটা ফোনের স্পিডকে বাড়ায় এবং ফোন ভালো কাজ করে। এর
র্যাম ও স্টোরেজ আপনি ৬/১২৮, ৮/১২৮ ও ৮/২৫৬ জিবি পাবেন।
টেকনো কোম্পানির এই ফোনের ব্যাক ক্যামেরায় আপনি ৫০ মেগাপিক্সেল এবং সেলফি
ক্যামেরায় আপনি ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা পাবেন। এই ফোনের মধ্যে ব্যাটারি ৫০০০
এমএইচ এবং ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং ব্যবস্থা আছে। এটা ইউ এস বি চার্জিং পোর্ট
টাইপ সি ব্যবহার করা হয়েছে এবং সিকিউরিটি হিসাবে এর সাইডে ফিঙ্গারপ্রিন্ট আছে।
এটি একটি 4G ফোন এবং এই ফোনের Orbit Black, Orbit White, Magic Skin 3.0 এই তিনটি
কালার আছে। এই ফোনের দামঃ ১৩,৯৯৯ টাকা
আপনার যদি পনেরো হাজার টাকা থাকে। আর আপনি যদি এই টাকার মধ্যেই একটি ভালো ফোন
কিনতে চান, তাহলে আপনার জন্য উপরের এই সাতটি ফোন সবথেকে ভালো হবে। এই ফোনগুলো
থেকে আপনি ভালো ব্যবহার করতে পারবেন এবং এর থেকে ভালো ফলাফল পাবেন।
আমি যে ফোনগুলো কথা বললাম। এই ফোনগুলোর এই দামের মধ্যে ক্যামেরা, ব্যাটারি
ব্যাকআপ, টুকটাক গেমিং সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এবং ভিডিও ভালো
দেখা যাবে। তাই আপনি যদি ১৫ হাজার টাকাই ফোন কিনতে চান, তাহলে এই ফোনগুলোর মধ্যেই
একটি বেছে নিতে পারেন।
মোবাইল নেওয়ার আগে যেসব জিনিস দেখে কিনবেন
অনেক জনে আছে মানুষের কথা শুনে যেকোন একটা ফোন কিনে নেয় এবং পরবর্তীতে সে ওই
ফোন ভালোভাবে চালাতে পারে না ও চালানোর সময় অনেক সমস্যা হয়। কিন্তু ফোন
কেনার সময় যদি বেশ কিছু জিনিস আগে থেকেই জেনে বুঝে কিনা যায়, তাহলে ফোনও ভালো
পাওয়া যায় এবং এটা ব্যবহার করেও মজা পাওয়া যায় ও এটা অনেকদিন পর্যন্ত
লাস্টিংও করে।
তাই আমাদের ফোন কেনার আগে বেশ কিছু বিষয়ে সতর্ক হয়ে কিনতে হবে।
প্রথমেই ফোনের র্যাম ও ফোনের জায়গা কত সেটা দেখতে হবে। ফোনের র্যাম ও
স্টোরেজ যত বেশি হবে, ফোন তত ভালো কাজ করবে। তাই ফোন কিনবেন তখন চেষ্টা করবেন
৪/৬৪ জিবির ওপরে ফোন কেনার। ফোনের ব্যাটারি যেন ৪৫০০ থেকে ৫ হাজার এমএইচের হয়
এবং চার্জার যেন ১৮ ওয়ার্ড অথবা ২৫ ওয়াট হয়।
যে ফোন কিনবেন সেই ফোনের প্রসেসর যেন স্ন্যাপড্রাগন অথবা হেলিওজি থাকে। এই
প্রসেসরটা অনেক ভালো এবং এটা ফোনের কাজকে অনেক ফাস্ট করে। ফলে ভিডিও দেখা, গেম
খেলা সবকিছুতেই ভালো কাজ করে। স্ক্রিন আপনার পছন্দমত কিন্তু অ্যামুলেড বা সুপার
এমোলেড হলে ভালো হয়। অবশ্যই ডিসপ্লের রিফ্রেশ রেট যেন ৯০ থেকে ১২০ Hz হয়।
ছবি তুলতে যদি পছন্দ করেন, তাহলে অবশ্যই ক্যামেরা ৫০ মেগাপিক্সেলের নিবেন।
এছাড়াও ফোন কেনার সময় আপনি ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ফেস লক আছে কিনা সেটাও খেয়াল
করবেন। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয় তা হচ্ছে কোন ফোন কেনার আগে অবশ্যই সেটা
গুগলে সার্চ করে। তার রিভিউ দেখে নিবেন এবং সেটাকে কম্পেয়ার করে, ভালো খারাপ
দেখে ফোন কিনতে যাবেন।
এইভাবে এই বিষয়গুলো দেখে যদি আপনি ফোন কিনতে পারেন, তাহলে অবশ্যই আপনি একটি
ভালো ফোন কিনতে পারবেন এবং এটা অনেকদিন ধরে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।
ব্যবহারের সময় কোন সমস্যাও হবে না।
গেমিংয়ের জন্য কোন ফোন ভালো হবে
আমি উপরে ১৫ হাজার টাকার নিচে যে ফোন গুলোর কথা বললাম এই ফোনগুলোতে আপনি
টুকটাক গেমিং করতে পারবেন। তবে প্রফেশনাল গেমিং করতে চাইলে আপনাকে আপনার
বাজেট বাড়াতে হবে। আপনি যদি আপনার বাজেট বাড়ান, তাহলে আপনি ভালো গেমিং ফোন
নিতে পারবেন। গেমিং এর জন্য কোন ফোন ভালো হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ ঘরে বসে পন্য প্যাকেজিং ব্যবসা করার উপায়
সে বিষয় নিয়ে আমি বেশ কয়েকটা গেমিং ফোনের নাম আপনাকে বলবো। যে ফোনগুলোতে
গেমিং করে আপনি ভালো মজা পাবেন এবং আপনার গেম চলবে অনেক স্মুথ। গেমিং এর
জন্য প্রথম যে ফোনটি ভালো হবে সেটা হচ্ছে, টেকনো কোম্পানির Tecno pova curve
5G এই মডেলের ফোনটি। এই ফোন 30 সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে বাজারে এসেছে।
এর প্রসেসর Mediatek Dimensity 7300 Ultimate (Octa core)। এ প্রসেসরটি
গেমিংয়ের জন্য অনেক ভালো এবং এই ফোনের ডিসপ্লে রিফ্রেশ রেট ১৪৪ Hz এবং
৫৫০০ mAh ব্যাটারি সাথে ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং। এক কথায় এই ফোনটা
গেমিংয়ের জন্য অনেক ভালো হবে। তাছাড়া Infinix Note 50x আপনি গেমিং এর
জন্য নিতে পারেন। এটাও গেমিং এর জন্য অনেক ভালো একটা ফোন।
এছাড়াও গেমিং এর জন্য Vivo t4x 5G ভালো হবে। Tecno pova curve 5G এই
ফোনের দাম ৩২,৯৯৯ টাকা। Infinix Note 50x এই ফোনের দাম ২০,৫০০
টাকা। Vivo t4x 5G এই ফোনের দাম ১৯,০০০ টাকা। Realme p3 Ultra 5G এই
ফোনের দাম ৩৭,০০০ টাকা। যে কয়টা ফোনের নাম আমি বললাম কয়েকটা ফোন গেমিং
এর জন্য অনেক ভালো হবে। আপনি গেম খেলতে চাইলে এই ফোনগুলো নিতে পারেন।
১৫ হাজার টাকায় কোন ফোনের ক্যামেরা ভালো হবে
১৫ হাজার টাকা দামের মধ্যে আমি যেসব মোবাইল গুলো আপনাদেরকে বলেছি। এই মোবাইল
গুলোই মূলত ১৫ হাজার টাকার মধ্যে ভালো ক্যামেরা দিয়েছে। তবে এই সাতটি ফোনের
মধ্যে আপনি যদি ক্যামেরার দিকে ফোকাস দেন, তাহলে Oneplus Nord N30
Se, Oppo A3X, Realme C61,
Infinix Hot 50i এই চারটি ফোনের মধ্যে যেকোনো একটি ফোন আপনি নিতে পারেন।
১৫ হাজার টাকার মধ্যে আপনি এই চারটা ফোন থেকে ভালো ক্যামেরা পাবেন এবং এটা
ব্যবহার করেও ভালো লাগবে যদি ভালোভাবে ফটোগ্রাফি বা ফটো তুলতে চান তাহলে
অবশ্যই আপনাকে আপনার বাজে বাড়াতে হবে।
ছাত্র ছাত্রীদের জন্য সেরা কয়েকটি ফোন
ছাত্র ছাত্রীদের জন্য এখন আমি সেরা কয়েকটি ফোনের নাম বলবো। যেগুলো
দামেও কম হবে এবং পারফরম্যান্স আপনি ভালো পাবেন। আমি এখন আপনাদেরকে ১০ থেকে
২০ হাজার টাকার মধ্যে বেশ কয়েকটা ফোনের নাম বলবো। যেগুলো ছাত্রছাত্রীদের
জন্য 2026 সালের বেস্ট মোবাইল ফোন হবে।
১/vivo t4x 5g
২/Samsung Galaxy A06
৩/Oppo A3X
৪/Realme C61
৫/Oneplus Nord N30 Se
৬/Itel S25
৭/Tecno Spark 40pro
৮/Infinix Hot 50i ও Infinix Hot 60pro
এই ফোনগুলোর দাম ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যেই রাখা হয়েছে। এই ফোনগুলোতে
ছাত্রছাত্রীরা তাদের প্রয়োজনীয় সকল কাজ করতে পারবে। এমনকি তারা যদি ভিডিও
দেখা, ছবি তোলা গেম খলা ইত্যাদি কাজ করতে পারবে। তাই যারা নতুন ফোন কিনবেন
ভাবছেন। তারা এই ফোনগুলোর মধ্যেই যে কোন একটি ফোন কিনতে পারেন।
কোন ব্র্যান্ডের ফোন ভালো
বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরনের কোম্পানি, তাদের ফোনগুলোকে অনেক উন্নতির দিকে
নিয়ে যাচ্ছে এবং ফোনের যত সমস্যা আছে, সে সমস্যাগুলোকে তারা চেষ্টা করছে
ভালো করার এবং সার্ভিসও দিচ্ছে অনেক ভালোভাবে। তবে এমন কিছু ব্র্যান্ড আছে,
যে ব্র্যান্ডগুলো পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে আছে ও মানুষের মনে আস্থার জায়গা তৈরি
করেছে।
তার মধ্যে অন্যতম ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে Apple, Samsung, Vivo, Oppo, Realme,
Redmi, Infinix, Onepluse, Moto এই সকল ব্র্যান্ডের ফোনগুলো বর্তমান বাজারে
ভালো চলছে। আপনি ফোন কিনলে এই সকল ব্র্যান্ডের মধ্যেই ফোন কেনার চেষ্টা
করবেন।
ফোন কেনার সময় যে সব ভুল করবেন না
অনেকেই ফোন কেনার সময় অনেক ভুল করে থাকে। যার কারণে পরে পস্তাতে হয়,
তাই ফোন কেনার পরে দুঃখ না করে। ফোন কেনার আগে ভালোভাবে কোন ভালো এবং
আপনি কি কাজের জন্য ফোন কিনবেন সে কাজের জন্য কোন ফোন ভালো হবে। এইসব বিষয়ে
ভালোভাবে জানতে হবে।
শুধু ব্র্যান্ডের ফোন দেখলেই হবে না। কারণ ব্র্যান্ডের অনেক ধরনের ফোন
থাকে, সব ধরনের ফোনই ভালো হয় না। তাই অবশ্যই ফোন কেনার আগে নির্ধারিত একটি
ফোন বেছে কিনতে হবে। ফোন কেনার আগে অবশ্যই কিসের জন্য ফোন কিনতে
চাচ্ছেন সে অনুযায়ী গুগলে অথবা ইউটিউবে ফোনের রিভিউ দেখবেন।
সেখান থেকে আইডিয়া নিয়ে কোন ফোন আপনার জন্য ভালো, সে ফোন আপনি কিনবেন।
কখনোই তাড়াহুড়ো করে ফোন কিনবেন না। ফোন যখন কিনবেন তখন ফোনের প্রসেসর ফোনের
র্যাম এবং স্টোরেজ কত, ব্যাটারি কত এবং ব্যাটারির চার্জার ওয়াট কত এই সকল
বিষয়গুলো খেয়াল করে ফোন কিনবেন।
আলোচিত কিছু প্রশ্ন ও উত্তর/FAQ
প্রশ্নঃ ১৫ হাজার টাকায় কি ভালো গেমিং ফোন পাওয়া যাবে?
উত্তরঃ আপনার যদি শুধু টার্গেট থাকে গেমিংয়ের উপর, তাহলে আপনি এই টাকার
মধ্যে খুব একটা ভালো ফোন পাবেন না গেমিং করার জন্য। তবে হালকা যেগুলো
গেম সেগুলো আপনি টুকটাক খেলতে পারবেন। আর হাই লেভেলের গেম খেলতে হলে,
অবশ্যই আপনাকে বেশি টাকা দিয়ে ফোন কিনতে হবে।
প্রশ্নঃ 4gb Ram না 6gb Ram ভালো?
উত্তরঃ অনেকে প্রশ্ন করেছেন 4gb র্যাম ভালো না 6gb র্যাম ভালো।
আসলে ফোনের র্যাম যত বেশি হবে, তত বেশি ভালো 4gb থেকে 6 জিবি বেশি ভালো।
আশাকরছি আপনার উত্তর আপনি পেয়েছেন।
প্রশ্নঃ কোন ব্র্যান্ডের ফোন সবথেকে বেশি ভালো?
উত্তরঃ ব্র্যান্ড হিসেবে বেশি পরিচিত পেয়ে আছে অ্যাপেল কোম্পানি এবং samsung
কোম্পানি এই দুইটা কোম্পানি বিশ্বের সবথেকে বিখ্যাত দুটি কোম্পানি হিসেবে
পরিচিতি লাভ করে আছে। তবে এর পাশাপাশি বর্তমান সময়ে ভিভো, অপো সহ আরো
বেশ কয়েকটি কোম্পানি। তাদের সার্ভিস এবং তাদের ফোনের কোয়ালিটির জন্য
মানুষের মধ্যে ভালো বিশ্বাস অর্জন করছে। তবে অ্যাপেল এবং samsung
এই দুইটা ব্র্যান্ডের ফোন ভালো।
প্রশ্নঃ শিক্ষার্থীদের জন্য কোন মোবাইল ভালো?
উত্তরঃ শিক্ষার্থীদের জন্য যেসব মোবাইলে সাধারণ কাজ গুলো ভালো করা যায়
এবং যে ফোনগুলোর দাম প্রায় ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে। এই ফোনগুলোতে
শিক্ষার্থীরা, তাদের পড়াশোনা সহ আরো বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারবে খুব
সহজেই। উপরে আমি বেশ কিছু ফোনের নাম বলেছি এই ফোনগুলো শিক্ষার্থীদের
জন্য অনেক ভালো হবে।
প্রশ্নঃ ১৪ বছরের বাচ্চাদের ফোন দেওয়া যাবে কি?
উত্তরঃ ১৪ বছরের বাচ্চাদের ফোন দেওয়া যাবে। তবে অবশ্যই তাকে এই ফোন
ব্যবহার করতে হলে বেশ কিছু নিয়মকানুন মেনে ব্যবহার করতে হবে। যেমন অতিরিক্ত
বা সব সময় ফোন চালানো যাবেনা। একমাত্র প্রয়োজন ছাড়া ফোন ব্যবহার না
করা। যদি প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার করা হয়, তাহলে তার
স্বাস্থ্যের বা মস্তিষ্কের উপর ফোনের খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।
লেখকের মন্তব্যঃ ১৫ হাজার টাকা দামের মধ্যে মোবাইল
১৫ হাজার টাকা দামের মধ্যে মোবাইল গুলো নিয়ে আজকে আমি আপনাদের
জানিয়েছি। বর্তমান সময়ে দিন দিন সবকিছু আপডেট হচ্ছে, তেমনি ফোনও দিন
দিন অনেক আপডেট হচ্ছে। আমি আপনাদেরকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে যেফোন গুলোর নাম
বলেছি। এই ফোনগুলো দিয়ে আপনি দৈনন্দিন জীবনের সব কাজ কম করতে পারবেন
এবং এই ফোনগুলো যারা ছাত্রছাত্রী আছে, তাদের জন্যও ভালো হবে।
এই ফোনগুলো দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া চালানো, ভিডিও দেখা হালকা গেম খেলা ও
বিভিন্ন তথ্য সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জন করা যাবে। তবে আপনি যদি ভারী গেম খেলতে
চান, ভালো ক্যামেরা চান বা আরো ভালো পারফরম্যান্স চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে
আপনার বাজেট বাড়াতে হবে। আশাকরছি আজকের এই আলোচনা থেকে আপনি ১৫ হাজার টাকা
দামের মধ্যে কোন ফোন গুলো ভালো হবে তা জানতে পেরেছেন।


অপরাজিতা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url