গ্যাকোজিমা মলম এর উপকারিতা এবং এর ব্যবহার
গ্যাকোজিমা মলম এর উপকারিতা অনেক। কারণ এই মলম বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ যেমন
চুলকানি, দাদ, একজিমা, সোরিয়াসিস ও ডার্মাটাইসিস এর মতো সমস্যায় ব্যবহার করা
হয়। আপনাদের যাদের এই রকমের চর্মরোগ জনিত সমস্যা আছে।
তারা যেভাবে ত্বকে গ্যাকোজিমা মলম লাগাবেন তার নিয়ম সম্পর্কে আজকে সব জানানো
হবে। এছাড়াও এখানে আজকে আপনারা গ্যাকোজিমা মলম ব্যবহারের ভালো ও খারাপ দিক সহ
গ্যাকোজিমা মলম কখন ব্যবহার করতে হয় তাও জানতে পারবেন।
পেজ সূচিপত্রঃ গ্যাকোজিমা মলম এর উপকারিতা
- গ্যাকোজিমা মলম এর উপকারিতা
-
গ্যাকোজিমা মলম আসলে কি
- গ্যাকোজিমা মলম কখন ব্যবহার করতে হয়
- গ্যাকোজিমা মলম এর অপকারিতা
- গ্যাকোজিমা মলম ব্যবহারে সঠিক নিয়ম
- গ্যাকোজিমা মলম ব্যবহারে সতর্কতা
-
শরীরে দাদ হয় কেন?
- গ্যাকোজিমা মলম এর দাম
- FAQ/সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
- শেষ কথাঃ গ্যাকোজিমা মলম এর উপকারিতা
গ্যাকোজিমা মলম এর উপকারিতা
গ্যাকোজিমা মলম এর উপকারিতা জানলে আপনারা অনেকেই অবাক
হবেন। কেননা এই মলম ব্যবহার করে চর্মরোগের অনেক বড় ধরনের সমস্যাগুলো ভালো
করা যায়। বিশেষ করে যাদের ত্বকে চুলকানি, দাদ, একজিমা, সোরিয়াসিস,
ডারমাটাইসিস ও ফাংগাল জনিত সমস্যা আছে। তাদেরকে ডাক্তারেরা এই মলম
ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকে। ত্বকের এইরকম সমস্যা গুলো ভালো করতে,
আরো পড়ুনঃ মাথা ব্যথা কমানোর ১০টি ওষুধের নাম
এই মলমটি অনেক কার্যকরী। তাই আপনাদের যদি ত্বকে এরকম কোন সমস্যা থাকে। তবে
আপনারা এই মলমটি ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু আপনাদের জন্য নিরাপদ হবে। এই মলম
ব্যবহার করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া। যাই হোক এই মলম ব্যবহার করে,
আপনারা কি উপকার পাবেন চলুন তা জেনে নেওয়া যাক। আপনাদের ত্বকে যদি দাদ বা
ফাঙ্গাল সংক্রমণ হয়।
আর আপনারা যদি এতে এই মলম ব্যবহার করেন। তবে আপনাদের ত্বকের ফাঙ্গাল সংক্রমণ
কমবে। ফলে ত্বকের চুলকানি ও লালচে ভাব দূর হবে। ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলে ত্বকে
যে দাগ হয়। এই দাগ কমাতেও এ মলম ভালো কাজ করে। ত্বকের প্রদাহ থাকলে এবং
ত্বকের খসখসে ভাব ও ত্বকের শুষ্কতা কমাতে গ্যাকোজিমা মলম ভালো কাজ করে। আবার
গ্যাকোজিমা ত্বকের,
সংক্রমণ হওয়া চুলকানি কমাতে এই মলম ভালো উপকারী। এছাড়াও একজিমা সমস্যা
কমাতে এই মলম ব্যবহার করলে ত্বকে হওয়া চুলকানি ত্বকের দাগ এবং ত্বক ফেটে
যাওয়া কমবে। এরপর এই মলম ব্যবহারে ত্বকের মৃত কোষ দূর হবে এবং নতুন কোষ
গঠনে সাহায্য করবে। ত্বকে এলার্জির সংক্রমণ হলে এই এলার্জি কমাতেও
গ্যাকোজিমা মলম ব্যবহার করা হয়।
তাই বলে আপনারা কখনোই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া, গ্যাকোজিমা মলম
ব্যবহার করবেন না। ডাক্তারের কাছে জেনে এই মলম ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। এতে আপনাদের চর্মরোগ কমবে এবং এই রোগ থেকে আপনারা আরাম পাবেন। কিন্তু ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এই ঔষধ ব্যবহার করলে আপনাদের সমস্যা আরো বাড়তে পারে।
গ্যাকোজিমা মলম আসলে কি
গ্যাকোজিমা মলম আসলে ত্বকের সংক্রমণ জনক সমস্যা কমাতে ব্যবহার করা হয়।
গ্যাকোজিমা মলম হচ্ছে ত্বকে লাগানো এক ধরনের মলম। যেটা শরীরের ত্বকে
চুলকানি, ফাঙ্গাল, ইনফেকশন, একজিমা, সোরিয়াসিস সহ ত্বকে হওয়া দাগ এবং কিছু
চর্মরোগ সমস্যা দূর করতে ব্যবহার করা হয়।
এই মলমটি ত্বকের যেসব জায়গায় সমস্যা আছে। সে স্থানগুলোতে লাগানো হয়, যেন
ত্বকের এই সমস্যাগুলো কমে। গ্যাকোজিমা মলমের কার্যকারিতা এর ভেতরে থাকা
উপাদানের উপর নির্ভর করে। এই নামের কিছু মলমের মধ্যে এন্টিফাঙ্গাল উপাদান থাকে।
আবার কিছু মলমে চুলকানি বা প্রদাহ কমানোর উপাদান থাকে।
এটি কোন খাওয়ার ওষুধ না, তাই এটি খাওয়ার চেষ্টা করবেন না। এই মলম শুধুমাত্র
ত্বকে লাগানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। আপনারা যদি এই মলম ব্যবহার করতে চান।
তবে আপনারা আগে আপনাদের সমস্যা একজন চর্মবিশেষজ্ঞ ডাক্তার কে
বলবেন। তারপর ডাক্তার আপনাকে যে মলম ব্যবহার করতে বলবে, সে মলম ফার্মেসি থেকে
কিনে ব্যবহার করবেন।
গ্যাকোজিমা মলম কখন ব্যবহার করতে হয়
ত্বকে যখন কোন সংক্রমণ জনক সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষ করে ত্বকে যখন
ফাঙ্গালজনিত সমস্যা যেমন দাদ হয়। আর এই দাদ অর্থাৎ গোল দাগ যদি চুলকায়
এবং খসখস করে। তারপর ত্বক যদি অনেক বেশি চুলকায় এবং জ্বালাপোড়া করে। আবার
ত্বক লাল হয়ে যাওয়া ও ত্বকে যদি র্যাশ দেখা দেয়। তখন গ্যাকোজিমা মলম
ব্যবহার করতে হয়। চর্মরোগের সমস্যায় ডাক্তারেরা এই মলম বেশি ব্যবহার করতে
দেয়।
তাই বলে নিজে নিজেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এই মলম ব্যবহার করা উচিত হবে
না। কারণ সবার ত্বকের সমস্যা এক রকম হয় না। তাই ভালোভাবে না জেনে
ভুল ত্বকে ভুল মলম ব্যবহার করলে। ত্বকের সমস্যা আরো বেড়ে যেতে
পারে। তাই আপনাদের ত্বকের কোন সমস্যা হলে বা চর্মরোগ জনিত কোন অসুখ অনেক
দিন থেকে থাকলে। একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে গ্যাকোজিমা মলম
ব্যবহার করবেন।
গ্যাকোজিমা মলম এর অপকারিতা
গ্যাকোজিমা মলম এর যেমন ভালো দিক আছে, তেমনি এই মলমের কিছু খারাপ দিকও আছে।
অনেক সময় এই মলম সমস্যা ভালো করার বদলে সমস্যা কিছুটা বাড়িয়ে দিতেও পারে। তাই
আমাদের চর্মরোগ জনিত কোনো সমস্যা হলে। নিজেরা বাড়াবাড়ি না করে ডাক্তারের
পরামর্শ নেওয়া ভালো হবে।
গ্যাকোজিমা মলম ব্যবহার করার পর, এই মলম কি ক্ষতি করতে পারে চলেন এগুলো জেনে
নিই। মাঝেমধ্যে গ্যাকোজিমা মলম সংক্রমণ হওয়া ত্বকে লাগানোর পর।
ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে পারে, চুলকাতে পারে এবং সমস্যা বাড়তে
পারে। কারণ গ্যাকোজিমা মলম এর মধ্যে এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান
দেওয়া থাকে। যেগুলো অনেক মানুষের ত্বক সহ্য করতে পারে না।
যার কারণে অনেকের ত্বকে আবার এলার্জির সমস্যাও দেখা দেয়। এমনকি অনেক সময়
অনেকেই এই মলম নিয়ম না মেনে বেশি ব্যবহার করে। যার কারণে ত্বক শুকনো হয়ে
যায়, ত্বক পাতলা হয়ে যায় এবং ত্বকের অনেক রকম সমস্যাও শুরু হয় বিশেষ করে
এই মলমে স্টেরয়েড উপাদান থাকলে এই সমস্যা বেশি হয়। তাই মলমে এই উপাদান
যদি থাকে,
তবে মলম ব্যবহার করার আগে সতর্ক থাকতে হবে। তাছাড়া সব চুলকানি একরকম হয়
না। যার কারণে ভুল নিয়ম মেনে ভুল ওষুধ ব্যবহার করলে। ত্বকের সংক্রমণ
আরো বেড়ে যেতে পারে। তারপর ত্বকের যেসব নরম জায়গা সেগুলোতে
যদি গ্যাকোজিমা মলম লাগে, তাহলে জ্বালাপোড়া করতে পারে এবং এখান থেকে
বড় ধরনের ক্ষতিও হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
গ্যাকোজিমা মলম ব্যবহারে সঠিক নিয়ম
আপনাদের ত্বকে যদি কোন সমস্যা হয়। বিশেষ করে একজিমা, দাদ, সোরিয়াসিস,
ডার্মাটাইসিস চুলকানি সহ চর্মরোগ জনিত সমস্যা। তবে আপনারা এই সমস্যা কমানোর
জন্য গ্যাকোজিমা মলম ব্যবহার করতে পারেন। এবার হয়তো ভাবছেন এই মলম
আপনি কিভাবে ব্যবহার করবেন?
তাই আর দেরি না করে চলুন এই মলম ব্যবহার করার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে এখন আমরা
জেনে নেব। আপনার ত্বকে যে জায়গায় সমস্যা হয়েছে। সেই জায়গা ভালোভাবে পরিষ্কার
করবেন এবং শুকনো রাখবেন। তারপর যখন আপনি এই মলম ব্যবহার করবেন। তার আগে
আপনার হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিবেন। এরপর সংক্রমণ হওয়া জায়গায়,
এই মলম আপনার আঙ্গুলে নিয়ে ভালোভাবে লাগাবেন। খুব বেশি মোটা করে লাগাবেন
না। অল্প একটু নিয়ে সে জায়গার ওপর কিছুক্ষণ মাসাজ করবেন। এইভাবে
প্রতিদিন আপনার সংক্রমণ হওয়া স্থানে। এই মলম দুই থেকে তিনবার
লাগাবেন। যখন মলম লাগানো হয়ে যাবে। আপনার হাত আবার ভালোভাবে সাবান অথবা
হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলবেন।
পরামর্শঃ কখনোই আপনি গ্যাকোজিমা মলম ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া
ব্যবহার করতে যাবেন না। আগে ডাক্তারের কাছে জানবেন। ডাক্তার যদি বলে
ব্যবহার করতে, তারপর আপনি এই মলক ব্যবহার করবেন। তারপর এই মলম কিভাবে ব্যবহার
করতে হবে। এটাও ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিবেন।
গ্যাকোজিমা মলম ব্যবহারে সতর্কতা
ত্বকে কোন সমস্যা হলে এই মলম ব্যবহার করা হয়। কারণ এই মলম ত্বকের
চুলকানি, দাদ, একজিমা, ডার্মাটাইসিস বা চর্মরোগ জনিত সমস্যা কমায়। কিন্তু
আপনাদেরকে গ্যাকোজিমা মলম ব্যবহার করার সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে
হবে। কারণ আপনারা যদি এই মলম সতর্ক হয়ে ব্যবহার না করেন।
তবে আপনাদের ত্বকের সমস্যা কমার বদলে বাড়তে পারে। তাই আপনারা যখন এই মলম
আক্রান্ত হওয়া স্থানে লাগাবেন। তার আগে আপনার ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে
নিবেন ও হাত ভালোভাবে ধুয়ে নেবেন। গ্যাকোজিমা মলম ডাক্তারের পরামর্শ না
নিয়ে কখনই বেশি দিন ব্যবহার করা যাবে না। কারণ এই মলমের মধ্যে এমন সব উপাদান
মেসানো আছে।
আরো পড়ুনঃ অমিডন খেলে কি মোটা হয়?
যে উপাদানগুলো চামড়ার অনেক রকম সমস্যা করতে পারে। এমনকি এই মলম চোখে লেগে
গেলে চোখ জ্বলতে পারে এবং আরও অনেক সমস্যা হতে পারে। তাই আপনারা যখন এই মলম
আপনাদের সংক্রমণ হওয়া জায়গায় লাগাবেন। তখন খেয়াল রাখবেন যেন চোখের আশেপাশে
এবং মুখে লেগে না যায়।
অনেকেই আবার একজনের মলম অন্যজন ব্যবহার করে। যা করা মোটেও ঠিক না, অন্যদের
ত্বকে লাগানো মলম নিজের ত্বকে লাগালে এ ভাইরাস আরো বাড়তে পারে। তাছাড়া
গ্যাকোজিমা মলম ব্যবহারের সময় যদি ত্বকে জ্বালা করে। তারপর চুলকায় এবং
ত্বক যদি লাল হয়ে যায়, তবে এই ঔষধ তাড়াতাড়ি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
কারণ সব চর্মরোগ এক হয় না।
তাই একই মলম ব্যবহার করে কাজ নাও হতে পারে। এজন্য ভুল অসুখে ভুল ওষুধ দিলে
সমস্যা আরো বাড়তে পারে। তাই এটি ত্বকে লাগানোর সময় অনেক বেশি সতর্ক থাকতে
হবে। আর ত্বকে কোন সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে।
গ্যাকোজিমা মলম ছোট বাচ্চা বা শিশুদের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখবেন।
শরীরে দাদ হয় কেন?
দাদ হচ্ছে চর্মরোগের একটা অংশ। এই দাদ ত্বকে ফাঙ্গাল সংক্রমণ হওয়ার কারণে দেখা
দেয়। ত্বকে দাদ হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে ফাঙ্গাস বা
ছত্রাক। ছত্রাক যখন ত্বকের উপরের অংশে জন্ম নেয়, তখন আস্তে আস্তে এই দাদ
এর সিজন হয়। যা দেখতে গোল দাগ হয় এবং আক্রান্ত জায়গায় চুলকানি হয় ও খসখসে
লাগে।
এই দাদ বেশি হয় আদ্র পরিবেশে, গরমের জন্য শরীরে ঘাম যখন বেশি হয়। শরীর যখন ঘামে
বেশি সময় ধরে ভিজে থাকে। তখন ত্বকে এই ফাংগাল খুব তাড়াতাড়ি বাড়ে। তারপর দাদ
যাদের হয়েছে, তাদের কাপড় চোপড় বিছানা বা ব্যক্তিগত কোন জিনিসপত্র ব্যবহার
করলে, এর সংক্রমণ আরো বাড়তে পারে। কারণ দাদ হচ্ছে একটি ছোঁয়াচে ভাইরাস।
এই দাদ যাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কম। আবার যারা অপরিষ্কারভাবে
চলাফেরা করে, অপরিষ্কার কাপড় পরে ও অনেকক্ষণ ঘামে ভিজে থাকে তাদের বেশি
হয়। এই রোগ বেশি প্রাণীর শরীরে হয়। তাই প্রাণীর আশেপাশে থাকলে, তার শরীর
থেকে ফাংগাইল সংক্রমণ মানুষের শরীরে ছড়ায়। বিশেষ করে এই সংক্রমণ বিড়ালের
মধ্যে বেশি দেখা দেয়।
গ্যাকোজিমা মলম এর দাম
আপনারা যারা গ্যাকোজিমা মলম এর দাম জানতে চাইছেন। তাদের জন্য আমি বেশ
কিছু ফার্মেসিতে খোঁজ নিয়ে দেখেছি তারা এই ১০গ্রাম গ্যাকোজিমা মলম এর দাম
৪৫ থেকে ৫০ টাকা নিচ্ছে। কিছু ফার্মেসিতে আবার গ্যাকোজিমা মলমের দাম
৪৫ টাকা, ৪৭ টাকা ও ৫০ টাকাও নিচ্ছে।
তাছাড়া আমি অনলাইনে গ্যাকোজিমা মলমের দাম জানলাম। সেখানেও এই মলমের
১০গ্রাম প্যাকের দাম তারা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা লিখে রেখেছে। তবে বাজার এবং
জায়গা হিসেবে গ্যাকোজিমা মলমের দাম একটু ভিন্ন হতে পারে। তবে আপনি
বেশিরভাগ ফার্মেসিতে এই মলম ৪০ থেকে ৬০ টাকার আসে পাসেই পেয়ে যাবেন।
FAQ/সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নঃ গ্যাকোজিমা মলম ভালো না খারাপ?
উত্তরঃ চর্মরোগের ধরণ অনুযায়ী এই মলম খারাপ ও ভালো হতে পারে। সব
চর্মরোগ এক রকম হয় না। তাই সব চর্মরোগে একই রকম মলম কাজও করেনা। কিন্তু
বেশিরভাগ চর্মরোগের গুরুতর সমস্যা হলে ডাক্তারেরা গ্যাকোজিমা মলম
সংক্রমণ হওয়া জায়গায় লাগাতে দেয়। কারণ এই মলম সংক্রমণ হওয়া
জায়গার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শ
ছাড়া গ্যাকোজিমা ব্যবহার করা উচিত হবে না।
প্রশ্নঃ দাদের জন্য সবচেয়ে উপকারী ওষুধ কি?
উত্তরঃ ত্বকে ছত্রাক বা ফাঙ্গাল হওয়ার জন্য দাদ হয়। আর আপনাদের
শরীরে যদি দাদ হয়, তবে এই ফাঙ্গালজনিত সংক্রমণ কমাতে। আপনি
এন্টিফাঙ্গাল ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন। আপনারা চাইলে আপনাদের এই সমস্যা
কমানোর জন্য Clotrimazole তারপর Ketoconazole ও Terbinafine এই এন্টিফাঙ্গাল
ক্রিমগুলো ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো দাদ ভালো করার জন্য সবথেকে ভালো উপকারী
ওষুধ হিসেবে পরিচিত।
প্রশ্নঃ গ্যাকোজিমা কি সব ফাঙ্গাস সরায়?
উত্তরঃ গ্যাকোজিমা সব ফাঙ্গাস সরাতে পারে না। কারণ ফাঙ্গাস অনেক
রকমের হয়। আর এই ফাংগাস সরানোর জন্য প্রথমে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হয়। তারপর
এটা কমাতে যে ক্রিম বা মলম দরকার হবে। সে মলম ব্যবহার করতে হয়। তাই
আপনাদের যদি কোন ফাঙ্গাস জনিত সংক্রমণ ত্বকে হয়। তাহলে আগে ডাক্তারের কাছে
গিয়ে পরীক্ষা করাবেন। তারপর এই সমস্যা কমানোর জন্য যে ক্রিম বা মলম লাগবে তা
ব্যবহার করবেন।
প্রশ্নঃ গ্যাকোজিমা মলম কতদিন ব্যবহার করা যায়?
উত্তরঃ যদি আপনার ত্বকে চুলকানি বা চর্মরোগ জনিত কোন সমস্যা হয়। তাহলে
আপনারা এই মলম কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহ ব্যবহার করতে পারেন। তবে
ডাক্তারের কাছে না জেনে গ্যাকোজিমা মলম অনেকদিন ব্যবহার করা উচিত হবে না।
তাই আপনারা গ্যাকোজিমা ত্বকে লাগানোর আগে ডাক্তারের কাছে আগে জেনে নিবেন।
আরো পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় চালতা খাওয়ার উপকারিতা
প্রশ্নঃ গ্যাকোজিমা মলম বাচ্চারা ব্যবহার করতে পারবে কি?
উত্তরঃ বাচ্চাদের ত্বক বড়দের থেকে অনেক নরম ও অনেক সেনসেটিভ থাকে। তাই
বাচ্চাদের যদি চর্মরোগ বা চুলকানিজনিত সমস্যা ত্বকে দেখা দেয়। তাহলে আপনারা
নিজে থেকেই এই মলম বাচ্চাদের শরীরে লাগাবেন না। বাচ্চাদের এরকম সমস্যা
হলে। আপনারা দেরি না করে তাড়াতাড়ি একজন চর্ম বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাবেন।
ডাক্তার পরীক্ষা করে যে ওষুধ, মলম অথবা চিকিৎসা দিবে। সেই হিসেবে আপনি তখন
বাচ্চার চিকিৎসা চালিয়ে যাবেন।
শেষ কথাঃ গ্যাকোজিমা মলম এর উপকারিতা
গ্যাকোজিমা মলম এর উপকারিতা এবং এই মলমের অপকারিতা দুটোই ব্যবহারের ওপর
নির্ভর করে।তাই আপনারা যখন এই মলম ত্বকে বা সমস্যায় ব্যবহার করবেন। তখন
আপনি সতর্ক থাকবেন এবং সঠিক নিয়ম মেনে ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। কারণ
এই মলম সাধারণত এমন কিছু ফাংগাল বা চর্মরোগ আছে, যেগুলো কমাতে ভালো কাজ
করে। আবার এমন কিছু ফাংগাল বা চর্মরোগ আছে যেগুলোতে সমস্যা উল্টো বাড়াতে
পারে।
গ্যাকোজিমা মলম আপনারা ব্যবহার করার আগে, চর্মরোগ আসলে কোন ধরনের তা পরীক্ষা
করাবেন। পরীক্ষা করানোর পর আপনার চর্মরোগের ধরন অনুযায়ী ডাক্তারের
পরামর্শ নিয়ে। তখন আপনি ওষুধ বা মলম ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন যেকোন অসুখে প্রতিটা ধাপ ফেলতে হয় অনেক সতর্ক হয়ে। তাই আপনাদের যদি এরকম চর্মরোগ শরীরে হয়। তবে অনেক সতর্ক থাকবেন এবং ডাক্তারের কাছে গিয়ে ভালোভাবে চিকিৎসা নিবেন।



অপরাজিতা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url