সরিষার তেল গায়ে মাখলে কি হয় জানেন কি

সরিষার তেল গায়ে মাখলে কি হয় জানতে চাইলে এই পুরো আলোচনাটি ভালোভাবে পড়বেন। আজকে এই আলোচনাতে আপনারা সরিষার তেলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারবেন।
সরিষার-তেল-গায়ে-মাখলে-কি-হয়
এছাড়াও এই তেল গায়ে মাখার সঠিক নিয়ম, সর্তকতা এবং কাদের এই তেল মাখা উচিত হবে না, সে সম্পর্কেও জানতে পারবেন। সরিষার তেলের মধ্যে অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। সঠিক ভাবে গায়ে মাখলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। চলুন দেরি না করে বিস্তারিত জেনে নিন।

পেজ সূচিপত্রঃ সরিষার তেল গায়ে মাখলে কি হয়

সরিষার তেল গায়ে মাখলে কি হয়

সরিষার তেল গায়ে মাখলে কি হয় চলুন জেনে নিই। আমাদের দেশে সরিষার তেল শীতের সময় বেশি শরীরে মাখা হয়। বিশেষ করে এই তেলের ব্যবহার গ্রামের মানুষ বেশি করে। সরিষার তেল শুধু খেলেই উপকার পাওয়া যায় না, এটা গায়ে মাখলেও ভালো উপকার পাওয়া যায়। এখনকার সময়ে শরীরে সরিষার তেল মাখা অনেক কমে গেছে। কিন্তু আগের সময়ে এই তেল বেশি শরীরে মাখা হতো।
আমি যখন ছোটো তখন দাদি, নানিরা সরিষার তেল হালকা গরম করে নিয়মিত আমার শরীরে মাখিয়ে দিতো। এছাড়াও দাদা, দাদি, নানি, আব্বা এরাকেও দেখতাম শরীরে সরিষার তেল মাখতো দিয়ে সকালে রোদে বসে থাকতো। আমার আব্বা, দাদা, দাদীদের মুখে আমি শুনেছি এইভাবে তেল মেখে রোদে বসে থাকলে নাকি ঠান্ডা সর্দি ভালো হয় এবং শরীরের ত্বক ভালো থাকে। 

যাই হোক সরিষার তেল যদি গায়ে মাখা হয়, তবে কি হয় চলুন তা জেনে নিই। গায়ে সরিষার তেল মাখলে শুষ্ক ত্বক নরম হয়। বিশেষ করে শীতকালে ত্বক ফেটে যাওয়ার সমস্যা কমে। সরিষার তেল মাখলে শরীরে গরম একটা ভাব আসে। এতে করে শরীর হালকা লাগে এবং ঘুমও অনেক ভালো হয়। এর কারণ হচ্ছে শরীর যখন তেল দিয়ে মালিস করা হয়। তখন শরীরে রক্ত চলাচল বাড়ে, 

যার কারণে শরীরে একটা শান্তি লাগে। সরিষার তেলে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ই, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, প্রোটিন সহ ভিটামিন এ পাওয়া যায়। ঠাণ্ডা জর কাশি যদি হয়, তবে সরিষার তেলে কালোজিরা দিয়ে হালকা গরম করে মাখলে ঠাণ্ডা জর কাশি কমবে। সরিষার তেল মাখলে ত্বকের অ্যালার্জি দূর করতেও সাহায্য করে। কারণ এই তেলে এন্টিব্যাকটেরিয়াল ও এন্টিফাঙ্গাল থাকে। শরীরের হাড়ের বাথা কমাতেও

সরিষার তেল অনেক ভালো কাজ করে। সরিষার তেলের সাথে যদি আপনি আদা, রসুন দিয়ে হালকা গরম করেন। তারপর এই তেল যদি আপনি আপনার শরীরে বা বাথা করা হাড়ে মাখিয়ে মালিস করেন তবে আপনি বাথা থেকে আরাম পাবেন। আর আপনার যদি জয়েন্টে ব্যথা থাকে। আর আপনি যদি এই তেলের সাথে কর্পূর মিশিয়ে জয়েন্টের ব্যথায় লাগান, তবে আপনি এই ব্যথা থেকে কিছুটা হলেও আরাম পাবনে।

সরিষার তেলের মধ্যে থাকা পুষ্টি উপাদান

সরিষার তেল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো। অনেক গবেষণায় সরিষার তেলের ভালো উপকারিতা পাওয়া গেছে। যা আমাদের শরীর স্বাস্থ্যর জন্য অনেক ভালো। অনেক ডাক্তার সরিষার তেল খেতে বা ব্যবহার করতে পরামর্শ দেয়। নিয়মিত যদি সরিষার তেল মাখা ও খাওয়া হয়, তবে সরিষার তেলের প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরের অনেক বড় সমস্যা ভালো করতে সাহায্য করবে।

সরিষার তেলের মধ্যে ওমেগা৩ ও ওমেগা৬ ভালো ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তাছাড়া মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ভিটামিন ই, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও এন্টিব্যাকটেরিয়াল পুষ্টি উপাদান ভালো পরিমানে পাওয়া যায়। ওমেগা ৩,৬ এই ফ্যাট শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। হাটের স্বাস্থ্য ভালো এবং শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল কমআতে সাহায্য করতে পারে।

মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট শরীরের জন্য ভালো। এই ফ্যাট শরীরে শক্তি ধরে রাখতে এবং হার্টকে সুস্থ রাখতে ভালো উপকারী বলে ধরা হয়। ভিটামিন ই শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। শরীরের কোষ ভালো করতে এবং বাইরের ক্ষতিকর কোষ থেকে রক্ষা করতে ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটা ত্বক এবং চুলের জন্য ভালো কাজ করে।

এছাড়াও সরিষার তেলে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকার কারণে এটা ত্বকের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা যেমন চুলকানি, ত্বক শুষ্ক এমনকি অ্যালার্জি প্রতিরোধ করতেও সাহায্য করে। এছাড়াও এই উপাদান আরও কিছু খারাপ ব্যাকটেরিয়া বাড়ার সম্ভাবনা দূর করে। তাই চেষ্টা করবেন এই তেল সঠিক নিয়মে খাওয়ার এবং শরীরে মাখার। সচেতন হয়ে সরিষার তেল ব্যবহার করলে এর থেকে আপনি ভালো উপকার পাবেন

বৈজ্ঞানিক ভাষায় সরিষার তেল কিভাবে কাজ করে

আমাদের ত্বকের যে উপরের স্তরটা থাকে সেটাকে বৈজ্ঞানিক ভাষাতে স্কিন ব্যারিয়ার বলা হয়ে থাকে। ত্বকের এই স্তর টা শরীরের ভেতরের পানিকে ধরে রাখে। বাইরের ধুলাবালি ও খারাপ জীবাণু ভেতরে ঢুকতে দেয় না এবং এগুলো থেকে রক্ষা করে।

সরিষার তেলের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড থাকার কারণে, এই তেল মাখা হলে ত্বকের উপরে ফাঁকা জায়গাগুলোতে এক ধরনের তেলের প্রলেপ তৈরি হয়। যা ত্বকের পানি শুকাতে দেয় না, ত্বকের শুষ্ক ভাব কমাতে সাহায্য করে এবং ত্বককে নরম করে রাখে। এছাড়াও সরিষার তেল দিয়ে যখন শরীর মালিশ করা হয়।

তখন ত্বক ও পেশির ওপর চাপ পড়ে, যার কারণে সেই জায়গাগুলোতে রক্ত প্রবাহ সাময়িকভাবে বেড়ে যায়। যার কারণে সেখানকার পেশি শিথিল হয় এবং শরীরে আরাম পাওয়া যায়। সরিষার তেলের মধ্যে থাকা ঝাঁঝালো উপাদান ত্বকে মাখলে ত্বকে উত্তেজনা তৈরি হয়। যার কারণে গরম একটা ফীল পাওয়া যায়।

সতর্কতাঃ যদিও শরীরে সরিষার তেল মাখলে শরীরের জন্য ভালো কাজ করে। তবুও এটা যদি অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয়। তবে কিছু মানুষের শরীরে এটা জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে। তাই অতিরিক্ত ব্যবহার না করে। অল্প করে মাঝেমধ্যে এটা গায়ে মাখবেন। আর যদি ত্বকের কোন সমস্যা থাকে, তবে অল্প একটু তকে লাগিয়ে পরীক্ষা করবেন। যদি সমস্যা না থাকে, তবে ব্যবহার করবেন।

সরিষার তেল গায়ে মাখার সঠিক নিয়ম

সরিষার তেল গায়ে মাখলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তবে এটার ভুল ব্যবহারে উপকারের বদলে আবার ক্ষতিও হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই সরিষার তেল গায়ে মাখার আগে আপনাকে এই তেল মাখার সঠিক নিয়ম জানতে হবে। সঠিক নিয়ম জানতে পারলেই আপনি এই তেল থেকে ভালো উপকার নিতে পারবেন। সরিষার তেল গায়ে মাখার আগে পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যদি ত্বক সংবেদনশীল হয়,
তবে অল্প একটু শরীরে মেখে দেখবেন। যদি শরীরে কোন সমস্যা যেমন ধরেন চুলকানি, ত্বক লাল হওয়া তারপর ত্বক জ্বালাপোড়া করা না হয়। তাহলে আপনি এটা ব্যবহার করতে পারবেন। সরিষার তেল শীতকালে ব্যবহার করা সব থেকে ভালো। তাই শীতকালে যখন সরিষার তেল মাখবেন তেলকে হালকা গরম করে, সেটা শরীরে লাগিয়ে মালিস করবেন। এর থেকে ভালো উপকার নিতে হলে, 

আপনি গোসল করার আধা ঘন্টা আগে মাখবেন। তারপর গোসল করবেন, এতে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা কম থাকবে। আপনার যদি ঠাণ্ডা জর কাশি থাকে তবে সরিষার তেলে রসুন এবং আটা বেটে দিবেন তারপর সেই তেল গরম করবেন তাপর তেল যখন হালকা কুসুম হবে তখন গায়ে মাখবে দিয়ে রোদে ১৫ মিনিট মতো বসে থাকবেন। এতে শরীরে ঠান্ডা জ্বর কাশি কমবে সেই সাথে শরীরের ব্যথাও কমবে। 

আর যদি শরীরে হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা থাকে। তবে সেই ব্যথা কমানোর জন্য এই তেলে কর্পূর দিয়ে জয়েন্টের ব্যথাতে ভালোভাবে মালিশ করতে হবে, তাহলে আরাম পাবেন। অনেক বেশি তেলতেলে করে মাখবেন না, এতে ত্বকের সমস্যা হতে পারে। যাদের মুখ তৈলাক্ত তারা সরিষার তেল মুখে মাখবেন না। এছাড়াও মুখের ত্বক অনেক সংবেদনশীল থাকে তাই মুখে সরিষার তেল ব্যবহার না করাই ভালো।

যদি কোন কিছুতে শরীরের ত্বক কেটে যায়, তাহলে শরীরে সরিষার তেল মাখবেন না। এতে সেই ঘা বা কাটা জায়গার ক্ষত আরো অনেক বেশি হয়ে যেতে পারে। অনেকেই আবার ছোট বাচ্চাদেরকে সরিষার তেল মাখিয়ে থাকে, যা মোটে উচিত নয়। আপনি যদি কোন ছোট বাচ্চাকে সরিষার তেল মাখান, তবে অবশ্যই আপনি ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে মাখাবেন। তা না হলে এটা ছোট বাচ্চার ত্বকের অনেক বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।

সরিষার তেল গায়ে মাখা নিয়ে সতর্কতা

সরিষার তেল গায়ে মাখার আগে অবশ্যই সতর্ক হয়ে মাখবেন। কারণ সবার ত্বক একরকম না। যদি আপনার ত্বক সংবেদনশীল হয়, তবে অবশ্যই শরীরে মাখার আগে অল্প একটু দিয়ে পরীক্ষা করে নিবেন। যদি এই তেল মাখার পর শরীরে অস্বাভাবিক কিছু দেখা যায়। 

যেমন ত্বক চুলকালে ও ত্বক লাল হয়ে গেলে দ্রুত এই তেল ব্যবহার করা বন্ধ করবেন। দরকার পরলে আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। এতে আপনি নিরাপদ থাকবেন। এই তেল শরীরে মাখার সময় অতিরিক্ত ব্যবহার করবেন না। আর মুখে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন। শরীরে বেশি তেল মাখলে ও মুখে দিলে ক্ষতি হতে পারে। তাই পরিমিত মাখাই ভালো।

কাদের সরিষার তেল গায়ে মাখা উচিত নয়

সরিষার তেল গায়ে মাখা ভালো হলেও এটা কিন্তু সবার ত্বকের জন্য এক রকম কাজ করে না। কারণ কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সরিষার তেল গায়ে মাখলে ত্বকে চুলকানি, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া সহ আরো অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এই সমস্যাগুলো মূলত তাদেরই বেশি হয়, যাদের ত্বক সংবেদনশীল। যাদের ত্বকে একজিমা ও সরাইসিস আছে।
সরিষার-তেল-গায়ে-মাখলে-কি-হয়
যাদের এই সমস্যাগুলো আছে, তাদের সরিষার তেল গায়ে মাখা উচিত নয়। এছাড়াও সরিষার তেল মাখার পর যদি এলার্জির সমস্যা দেখা দেয়। তারপর নবজাতক শিশু, যাদের ত্বক কেটে আছে বা ত্বকে ঘা আছে এবং যাদের ত্বকে ব্রণ ও ফুসকুড়ি আছে। তাদের এই তেল ব্যবহার করা যাবে না। যদি তেল মাখার দরকার হয়, তবে ডাক্তারের কাছে জেনে ব্যবহার করবেন।

FAQ/সরিষার তেল সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্নের উত্তর

প্রশ্নঃ মুখে সরিষার তেল দিলে কি মুখ কালো হয়ে যায়?
উত্তরঃ মুখে সরিষার তেল দিলে মুখ কালো হয়ে যায় এইরকম কোন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে যাদের মুখ অনেক তেল তেলে অথবা যাদের ত্বক সংবেদনশীল তারা যদি মুখে সরিষার তেল দেয়, তবে মুখ কিছুটা কালো দেখাতে পারে। কিন্তু সরিষার তেলের মধ্যে ওমেগা৩, ওমেগা৬ সহ ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে, এটা ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

প্রশ্নঃ সরিষার তেল কি ট্যান দূর করে?
উত্তরঃ সরিষার তেল ত্বকে ব্যবহার করা হলে, এটা ত্বককে নরম করতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু এটা ত্বকের ট্যান দূর করে এরকম কোন প্রমাণ ডাক্তারি ভাবে এখনো পাওয়া যায় নি। তাই এটি মেখে রোদে না যাওয়ায় সব থেকে ভালো হবে। কারণ রোদে গেলে সরিষার তেল ত্বককে আরো সংবেদনশীল করে তুলতে পারে।

প্রশ্নঃ হাঁটুর ব্যথায় সরিষার তেল ব্যবহার?
উত্তরঃ হাটুর ব্যথায় আপনি সরিষার তেল একটি বাটিতে নিবেন। সেই বাটিতে দুই তিন টা রসুন এবং এক টুকরো আদা বেটে মিসাবেন। তারপর সেটাকে গরম করে হালকা যখন ঠান্ডা হবে। তখন হাঁটুর ব্যথা করা জায়গায় তেল দিয়ে মালিশ করবেন। এছাড়াও আপনি সরিষার তেলের সাথে কর্পূর মিশিয়ে হাঁটুর ব্যথায় মালিশ করলে হাঁটুর ব্যাথা থেকে আরাম পাবেন।

প্রশ্নঃ সরিষার তেল কি ত্বকে হাইড্রেট করে?
উত্তরঃ সরিষার তেল ত্বকে সরাসরি পানি যোগ করে না। যার কারণে এটা ত্বককে সরাসরি হাইড্রেট করে না, তবে সরিষার তেল ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। যার জন্য মনে হয় ত্বক হাইড্রেট থাকে।
প্রশ্নঃ সরিষার তেল কি লিভারের জন্য ক্ষতিকর?
উত্তরঃ সরিষার তেল স্বাভাবিক পরিমাণে খেলে এটা কোন ক্ষতি করে না। সরিষার তেলের মধ্যে এরোসিক এসিড নামের একটি ফ্যাটি এসিড পাওয়া যায়। কিছু প্রাণীর উপরে গবেষণা করে পাওয়া গেছিল এরোসিক হৃদয় যন্ত্রে চর্বি জমায়। তবে সরিষার তেল যদি স্বাভাবিকভাবে সঠিক পরিমানে খাওয়া হয়। তবে লিভারে সরাসরি কোন ক্ষতি হয় না। যাদের আগে থেকে লিভারের কোন অসুখ আছে। তারা সরিষার তেল নিয়মিত খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।

মন্তব্যঃ সরিষার তেল গায়ে মাখলে কি হয়

সরিষার তেল গায়ে মাখলে কি হয় আশাকরছি উপরের আলোচনা থেকে জানতে পেরেছেন। সরিষার তেল আপনি যদি সঠিকভাবে সঠিক নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে পারেন, তবে এর থেকে আপনি ভালো উপকার পাবেন। কিন্তু এটা যদি আপনি সঠিক নিয়ম না মেনে অতিরিক্ত ব্যবহার করেন। তবে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও এই তেল সবার ত্বকে একরকম ভাবে কাজ করে না।

তাই এটি ব্যবহার করার আগে অবশ্যই সতর্ক হয়ে ব্যবহার করবেন। সরিষার তেল গায়ে মাখার পর যদি শরীরে অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে শরীরে চুলকানি, ত্বক লাল হয়, ত্বকে ব্রণ বা ফুসকুড়ি যদি বার হয় তবে তাড়াতাড়ি এই তেল গায়ে মাখা বন্ধ করবেন এবং প্রয়োজনে ডাক্তারের কাছে গিয়ে পরামর্শ নিবেন। এরকম আরো তথ্য পেতে চাইলে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অপরাজিতা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url