কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা
আপনারা যারা কসবা থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে কসবা ট্রেনে করে যেতে চান। তাদেরকে এখন
আমি কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী সহ ঢাকা টু কসবা ট্রেনের সময়সূচী জানাবো।
সেই সাথে এই ট্রেনগুলোর তালিকা এবং ট্রেনগুলোতে যেতে কত টাকা ভাড়া লাগবে
তাও জানাবো। আপনারা যারা কসবা থেকে ঢাকা ও ঢাকা থেকে কসবা কখন ট্রেন ছাড়ে জানতে
চান। তারা আজকের এই তথ্যগুলো ভালোভাবে দেখে নিবেন। ট্রেনে ভ্রমণ করতে
চাইলে আজকের এই তথ্যগুলো আপনার জন্য দরকারি হবে।
পেজ সূচিপত্রঃ কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী
- কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী
- কসবা টু ঢাকা ট্রেনের তালিকা
- কসবা টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া ২০২৬
- কসবা টু ঢাকা ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
- কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন
- ঢাকা টু কসবা ট্রেনের তালিকা
- ঢাকা টু কসবা ট্রেনের সময়সূচী
- ঢাকা টু কসবা ট্রেনের ভাড়া ২০২৬
- ঢাকা টু কসবা ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
- ঢাকা টু কসবা ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি দিন
- ট্রেনের টিকিট কিভাবে বুকিং করবেন
- ঢাকা টু কসবা কত কিলোমিটার
- ট্রেন ভ্রমণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস
- FAQ/আলোচিত কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
- শেষ কথাঃ কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী
আপনারা যদি কসবা থেকে ঢাকা কখন ট্রেন ছাড়ে তা জানতে চান, তবে আপনাদেরকে
কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে জানতে হবে। আপনারা যদি এই সময়সূচির
সম্পর্কে জানেন, তাহলে আপনারা জানতে পারবেন কসবা থেকে ঢাকা কখন কয়টার সময়
ট্রেন ছেড়ে যায়। প্রতিদিন কসবা হয়ে তিনটি ট্রেন ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে
যায়।
আরো পড়ুনঃ ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
এই তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন একটি নোয়াখালী থেকে কসবা হয়ে ঢাকা যায়। আর
বাকি দুইটি চট্টগ্রাম থেকে কসবা হয়ে ঢাকা যায়। এ ট্রেনগুলো কসবা স্টেশন এ
থামে এবং সেখান থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে যায়। কসবা থেকে ঢাকা
প্রথম ট্রেন সকাল ৮ঃ২৬ মিনিটে ছাড়ে। দ্বিতীয় ট্রেনটি সকাল ৯ঃ৪১ মিনিটে। আর
তিন নাম্বার ট্রেন টি দুপুর ৩ঃ৪০ মিনিটে ছাড়ে।
কসবা থেকে ঢাকা যাওয়া ট্রেনের সময়সূচী
| সিরিয়াল নাম্বার | ট্রেনের নাম ও নাম্বার | ট্রেন ছাড়ার সময় | গন্তব্য স্থানে পৌঁছানোর সময় | ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন |
|---|---|---|---|---|
| ১ | উপকূল এক্সপ্রেস (৭১১) | সকাল ৮ঃ২৬ মিনিট | সকালে ১১ঃ২০ মিনিট | বৃহস্পতিবার |
| ২ | চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০১) | সকাল ৯ঃ৪১ মিনিট | দুপুর ১২ঃ৪০ মিনিট | শুক্রবার |
| ৩ | মহানগর এক্সপ্রেস (৭২১) | দুপুর ৩ঃ৪০ মিনিট | সন্ধ্যা ৬ঃ৪০ মিনিট | রবিবার |
কসবা টু ঢাকা ট্রেনের তালিকা
সরাসরি কসবা থেকে ঢাকা কোন ট্রেন যায় না। তিনটি ট্রেন কসবা হয়ে ঢাকার
উদ্দেশ্যে যায়। একটি ট্রেন নোয়াখালী থেকে কসবা স্টেশন হয়ে ঢাকা যায়। আর
বাকি দুইটি ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে কসবা হয়ে ঢাকা যায়। অনেক মানুষজন কসবা
থেকে ঢাকা ঢাকা যায়।
এ জন্য মাঝপথে যেন কসবা স্টেশন এর লোকজন এই ট্রেনগুলোতে উঠে ঢাকা পৌঁছাতে পারে।
তাই এ ট্রেনগুলো কসবা স্টেশন থামে। অনেকেই জানে না যে কসবা থেকে কয়টি ট্রেন
ঢাকা যায়। তাই এখন আপনাদের সুবিধার জন্য কসবা থেকে ঢাকা কয়টি
ট্রেন যায়, তার তালিকা জানাবো। নিচে ট্রেনগুলোর তালিকা দেওয়া হলো।
কসবা থেকে ঢাকা চলাচল করা ট্রেনের তালিকা
| সিরিয়াল নাম্বার | কসবা টু ঢাকা ট্রেনের তালিকা |
|---|---|
| ১ | উপকূল এক্সপ্রেস (৭১১) |
| ২ | চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০১) |
| ৩ | মহানগর এক্সপ্রেস (৭২১) |
কসবা টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া ২০২৬
কসবা থেকে ঢাকা ট্রেনে করে যেতে কত ভাড়া লাগবে, তা হয়তো আপনারা অনেকেই জানেন
না। আপনাদের এই ভাড়ার পরিকল্পনা সহজ করতে। এখন আমি আপনাদেরকে কসবা থেকে ঢাকা
যাওয়া ট্রেনগুলোর ভাড়া সম্পর্কে জানাবো। কসবা থেকে ঢাকা যে ট্রেনগুলো যাই,
এই ট্রেনগুলো আন্তঃনগর ট্রেন হওয়ার কারণে। এই ট্রেনের মধ্যে অনেক ধরনের সিট
থাকে।
যার কারণে এই সিটগুলোর ভাড়া বিভিন্ন রকমের হয়। আপনি যত আরামদায়ক সিটে যাবেন।
তার জন্য আপনাকে ভাড়া তত বেশি দিতে হবে। এই ট্রেনের শোভন চেয়ারের ভাড়া ২১৫
টাকা থেকে শুরু হয়। নিচে এই ট্রেনগুলোর ভাড়া কত তার একটি তালিকা দেওয়া
হলো। যেন আপনারা আগে থেকে এই ট্রেনের ভাড়া জানেন এবং কসবা থেকে ঢাকা ঝামেলা
ছাড়া যেতে পারেন।
কসবা টু ঢাকা ট্রেন ভাড়ার তালিকা
| সিটের ধরন | ভাড়ার পরিমাণ |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ২১৫ টাকা |
| স্নিগ্ধা | ৪০৯ টাকা |
| এসি সিট | ৪৮৯ টাকা |
কসবা টু ঢাকা ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
কসবা থেকে ঢাকা যে ট্রেনগুলো যায়। এ ট্রেনগুলো কসবা থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে বেশ
কয়েকটা স্টেশনে থামে। আপনারা যারা কসবা থেকে ঢাকা ট্রেনে করে যান। তাদের
এই সকল স্টেশনের নাম সম্পর্কে জানা দরকার।
যদি কখনো আপনার কোন দরকার হয়। তবে এই সব স্টেশনগুলোর সুবিধা আপনি নিতে
পারবেন। তাই আমি আপনাদেরকে এখন কসবা থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে। এই ট্রেনগুলো
কোন কোন স্টেশনে থামে তার নাম জানাবো।
১/উপকূল এক্সপ্রেস (৭১১) এই ট্রেন কসবা থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে আখাউড়া,
ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, আশুগঞ্জ, নরসিংদী ও বিমানবন্দর স্টেশনে থামে।
২/চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০১) এ ট্রেন কসবা থেকে ঢাকা যাওয়ার সময় আখাউড়া,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব বাজার, মেথি কান্দা, নরসিংদী এবং ঢাকা বিমানবন্দর
স্টেশনে থামে।
৩/মহানগর এক্সপ্রেস (৭২১) এই ট্রেনটি কসবা থেকে ঢাকা যাওয়ার সময়
আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আশুগঞ্জ, ভৈরব বাজার, নরসিংদী ও ঢাকা বিমানবন্দরে
দাঁড়ায়। তারপর সোজা ঢাকা কমলাপুর স্টেশন যায়।
কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন
আপনারা যারা কসবা থেকে ঢাকা ট্রেনে করে জান বা যেতে চাচ্ছেন। তাদের এই
রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির দিন সম্পর্কে জানতে হবে। কেননা
এ ট্রেনগুলো কোন দিন বন্ধ থাকে, এই বিষয়ে না জানলে। আপনি হুট করে স্টেশনে
গিয়ে ট্রেন পাবেন না।
যার কারণে আপনার ভ্রমণ করার পরিকল্পনা নষ্ট হয়ে যাবে। তাই নিশ্চিন্তে
কসবা থেকে ঢাকা ট্রেনে যেতে চাইলে। আগে থেকেই এই রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর
সাপ্তাহিক বন্ধের দিন জানা লাগবে। নিচে আমি এই ট্রেনগুলো কোন কোন দিনে
বন্ধ থাকে, তার তালিকা দিলাম।
কসবা থেকে ঢাকা চলাচল করা ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির তালিকা
| ট্রেনের নাম | ট্রেন বন্ধের দিন |
|---|---|
| উপকূল এক্সপ্রেস (৭১১) | বৃহস্পতিবার |
| চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০১) | শুক্রবার |
| মহানগর এক্সপ্রেস (৭২১) | রবিবার |
ঢাকা টু কসবা ট্রেনের তালিকা
আপনারা যারা ঢাকা থেকে কসবা ট্রেনে করে যেতে চান। তারা হয়তো অনেকেই জানেন না,
যে ঢাকা থেকে কসবা প্রতিদিন কয়টি ট্রেন চলে। আপনাদের সুবিধার জন্য এখন আমি এই
রুটে কয়টি ট্রেন চলে তার তালিকা সম্পর্কে জানাবো।
ঢাকা থেকে কসবা প্রতিদিন তিনটি ট্রেন যায়। এর মধ্যে প্রথম
ট্রেনটি ঢাকা থেকে কসবা স্টেশন হয়ে চট্টগ্রাম যাই। তারপরের ট্রেনটি
ঢাকা থেকে কসবা হয়ে নোয়াখালী যাই এবং তিন নাম্বার ট্রেনটি আবার ঢাকা থেকে
কসবা হয়ে চট্টগ্রাম যায়। নিচে এই তিনটি ট্রেনের নাম বলা হলো।
ঢাকা থেকে কসবা চলাচল করা ট্রেনের তালিকা
| সিরিয়াল নাম্বার | ঢাকা টু কসবা ট্রেন তালিকা |
|---|---|
| ১ | চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০২) |
| ২ | উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) |
| ৩ | মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) |
ঢাকা টু কসবা ট্রেনের সময়সূচী
আগের মতই ঢাকা থেকে কসবা যদি আপনি ট্রেনে করে যেতে চান। তাহলে আগে আপনাকে ঢাকা
টু কসবা ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে জানতে হবে। আগে থেকে যদি এই ট্রেনগুলো
কখন ছাড়ে জানতে পারেন। তাহলে আপনারা সঠিক সময়ে ট্রেন ধরতে পারবেন।
ঢাকা থেকে কসবা প্রতিদিন তিনটি ট্রেন যায়। এই ট্রেনগুলোর মধ্যে প্রথম
ট্রেন যাই দুপুর ২ঃ১৫ মিনিটে। দুই নাম্বার ট্রেনটি যাই দুপুর ৩ঃ১০ মিনিটে। আর
তিন নাম্বার ট্রেন যায় রাত ৯ঃ২০ মিনিটে। আপনাদের যেন ট্রেনে করে ঢাকা থেকে
কসবা যেতে সহজ হয়। এজন্য আপনাদের কে নিচে এই ট্রেন গুলো কখন ছাড়ে সে সময় বলা
হলো।
ঢাকা থেকে কসবা ট্রেনের সময়সূচীর তালিকা
| সিরিয়াল নাম্বার | টেনের নাম ও নাম্বার | ট্রেন ছাড়ার সময় | গন্তব্য স্থানে পৌঁছানোর সময় | ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন |
|---|---|---|---|---|
| ১ | চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০২) | দুপুর ২ঃ১৫ মিনিট | বিকাল ৫ঃ০১ মিনিট | শুক্রবার |
| ২ | উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) | দুপুর ৩ঃ১০ মিনিট | সন্ধ্যা ৬ঃ০৬ মিনিট | বুধবার |
| ৩ | মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) | রাত ৯ঃ২০ মিনিট | রাত ১২ঃ১৪ মিনিট | রবিবার |
ঢাকা টু কসবা ট্রেনের ভাড়া ২০২৬
বর্তমান সময়ে ঢাকা থেকে কসবা যাওয়ার জন্য ট্রেনের ভাড়া কত লাগবে। তা আপনারা
অনেকেই জানতে চেয়েছেন। এখনকার সময়ে আপনি যদি ঢাকা থেকে কসবা ট্রেনে করে
যেতে চাইলে। আপনাকে সর্বনিম্ন ভাড়া ২১৫ টাকা থেকে শুরু করতে হবে। ঢাকা
থেকে কসবা যে ট্রেনগুলো যাই, এগুলো আন্তঃনগর ট্রেন হওয়াই।
এর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের চেয়ারের ব্যবস্থা থাকে। এই চেয়ারগুলো সাধারণ
থেকে হাই লেভেলের হওয়ায়। এর ভাড়াও কম থেকে বেশি হয়ে থাকে। আপনারা যেন
ঢাকা থেকে কসবা ট্রেনে করে যাওয়ার আগে এর ভাড়া জানতে পারেন এবং কোন সিটের
টিকিট কিনবেন তা পরিকল্পনা করতে পারেন। এজন্য আমি আপনাদেরকে এই ট্রেনে কোন
চেয়ারের ভাড়া কেমন তার তালিকা দিলাম।
ঢাকা টু কসবা ট্রেন ভাড়ার তালিকা
১/শোভন চেয়ারের ভাড়া ২১৫ টাকা।
২/স্নিগ্ধা চেয়ারের ভাড়া ৪০৯ টাকা।
ঢাকা টু কসবা ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
আগের বারের মত করেই, এবারও আপনারা যারা ঢাকা থেকে কসবা ট্রেনে করে যান। এই
ট্রেনগুলো ঢাকা থেকে কসবা যাওয়ার মধ্যে কোন স্টেশনগুলোতে থামে তা জানা
দরকার। কারণ এই স্টেশনগুলোর নাম যদি জানা থাকে।
তাহলে যে কোন সময় যেকোন সমস্যার মধ্যে আপনারা এই স্টেশনগুলো থেকে সুবিধা
নিতে পারবেন। আপনারা যেন এই স্টেশনগুলোর সুবিধা নিতে পারেন। এজন্য নিচে এই
ট্রেনগুলো কোন কোন স্টেশনে থামে তার নাম বলা হলো।
ঢাকা থেকে কসবা ট্রেনের স্টপিস স্টেশনের তালিকা
| ট্রেনের নাম | যাত্রা বিরতি স্টেশনের নাম | যাত্রা বিরতি স্টেশনের নাম | যাত্রা বিরতি স্টেশনের নাম | যাত্রা বিরতি স্টেশনের নাম | যাত্রা বিরতি স্টেশনের নাম | যাত্রা বিরতি স্টেশনের নাম | যাত্রা বিরতি স্টেশনের নাম | যাত্রা বিরতি স্টেশনের নাম |
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০২) | ঢাকা | বিমানবন্দর | নরসিংদি | মেথিকান্দা | ভৈরব বাজার | ব্রহ্মনবাড়িয়া | আখাউড়া | কসবা |
| উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) | ঢাকা | বিমানবন্দর | নরসিংদী | ভৈরব বাজার | আশুগঞ্জ | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | আখাউড়া | কসবা |
| মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) | ঢাকা | বিমানবন্দর | নরসিংদী | ভৈরব বাজার | আশুগঞ্জ | ব্রাহ্মণবাড়িয়া | আখাউড়া | কসবা |
ঢাকা টু কসবা ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি দিন
ঢাকা থেকে কসবা যেসব ট্রেন চলাচল করে, এই ট্রেনগুলো সপ্তাহে একদিন বন্ধ
থাকে। কারণ ওই দিন এই ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকে। আপনারা
যারা ঢাকা থেকে কসবা ট্রেনে করে যান বা যেতে চান। তারা আগে থেকেই চেষ্টা করবেন
ঢাকা থেকে কসবা যাওয়া ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির তালিকা জেনে
নেওয়ার। এতে ভ্রমণ করতে কোন ঝামেলার মধ্যে পড়তে হবে না।
ঢাকা টু কসবা ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির তালিকা
| ট্রেনের নাম | ট্রেন বন্ধের দিন |
|---|---|
| চট্টলা এক্সপ্রেস (৮০২) | শুক্রবার |
| উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) | বুধবার |
| মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) | রবিবার |
ট্রেনের টিকিট কিভাবে বুকিং করবেন
আপনি যদি কোন জায়গা ট্রেনে করে যেতে চান। তবে আগের থেকেই এই ট্রেনের টিকিট বুকিং
করার চেষ্টা করবেন। অনেক মানুষজন আছে যারা ট্রেনের টিকিট কিভাবে বুকিং করতে হয়
তা জানেনা। ট্রেনের টিকিট আপনি রেলওয়ে স্টেশন এর টিকিট কাউন্টার থেকে করতে
পারবেন।
আবার আপনি চাইলে অনলাইন থেকেও ট্রেনের টিকিট বুকিং করতে পারবেন। অনলাইন থেকে যদি
আপনি ট্রেনের টিকিট বুকিং করতে চান। তাহলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গুগল
প্লেস্টোর থেকে রেল সেবা অ্যাপ ডাউনলোড করবেন। এরপর এই অ্যাপে আপনার জাতীয়
পরিচয় পত্র ও আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে একাউন্ট খুলবেন।
তারপর ভেরিফাই করে নিবেন। একাউন্ট তৈরি করা হয়ে গেলে, একাউন্টের মধ্যে ঢুকবেন।
তারপর সার্চ অপশনে গিয়ে কোথায় ট্রেনে উঠবেন এবং কোথায় যাবেন, সে জায়গার নাম
লিখবেন। কোন দিন ট্রেনে করে যাবেন সে তারিখটা উল্লেখ করবেন। এরপর অনেকগুলো ট্রেন
দেখাবে।
এখন কোন সময়ে আপনি এই ট্রেনে যাবেন, কোন সিট নিবেন তা সিলেক্ট করে। মোবাইল
ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টিকিটের টাকা পেমেন্ট করবেন। তারপর ট্রেনের টিকিটের পিডিএফ
আপনার মোবাইলে সেভ করে নিবেন। পরে আপনার ফোনে সেভ করা সেই পিডিএফ দেখালেই হবে।
ঢাকা টু কসবা কত কিলোমিটার
ঢাকা থেকে কসবার দূরত্ব গুগল ম্যাপের তথ্য মতে ১২৮
কিলোমিটার। ট্রেনে গেলে এই দূরত্বটা কিছুটা কম আবার কিছুটা বেশি হতে
পারে। আপনি যদি বাসে অথবা সড়ক পথ দিয়ে কোন গাড়িতে ঢাকা থেকে কসবা যান।
তাহলে এতে সময় লাগতে পারে চার ঘন্টা থেকে সাড়ে চার ঘন্টার মতো। আর আপনি যদি
ট্রেনে করে যান। তাহলে তিন ঘন্টা থেকে সাড়ে তিন ঘন্টার মধ্যে আপনি ঢাকা থেকে
কসবা চলে যেতে পারবেন। কিন্তু রাস্তা পথে কোন যদি সমস্যা হয়। তাহলে এই সময়টা
একটু বেশি লাগতে পারে।
ট্রেন ভ্রমণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস ও সতর্কতা
কোথাও যদি ট্রেনে করে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে আগে থেকেই ট্রেনের টিকিট
কেটে রাখবেন। কারণ ট্রেনের টিকিট সব সময় পাওয়া যায় না। বিশেষ করে ছুটির
দিন এবং ঈদের সময় ট্রেনের টিকিট পাওয়া বেশি কঠিন হয়ে যায়। তাই যেখানেই
ট্রেনে যান না কেন, আগে থেকে ট্রেনের টিকিট কাটার চেষ্টা করবেন।
ট্রেনের টিকিট কাটা হলে স্টেশনে ট্রেন আসার কমপক্ষে আধা ঘন্টা আগে উপস্থিত
থাকবেন। তাড়াহুড়ো করে ট্রেনে উঠবেন না। যখন ট্রেন স্টেশনে এসে একদম দাঁড়িয়ে
যাবে। তখন আস্তে করে আপনার ট্রেনের টিকিট দেখে চেয়ারে গিয়ে বসবেন। আপনার
যেসব প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গুলো ভিড়ের মধ্যে খেয়ালে রাখবেন। অসতর্ক থাকলে
আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চুরি হয়ে যেতে পারে।
তাছাড়া ট্রেন ভ্রমণের আগেই আপনার যেসব প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো আপনার ব্যাগে
গুছিয়ে নেবেন। আর চেষ্টা করবেন বাড়ি থেকে খাবার পানি নিয়ে
যাওয়ার। ট্রেনের মধ্যে কোন অপরিচিত মানুষের কাছে, খাবার নিয়ে খাবেন না।
আর ট্রেনের টিকিট যখন কাটবেন। তখন চেষ্টা করবেন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে
কাটার, এতে প্রতারণার হাত থেকে বাঁচবেন।
FAQ/আলোচিত কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নঃ কসবা থেকে ঢাকা প্রতিদিন কয়টি ট্রেন চলে?
উত্তরঃ শুধুমাত্র সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে। প্রতিদিন কসবা থেকে ঢাকা
তিনটি ট্রেন চলাচল করে। যেগুলো আন্তঃনগর ট্রেন। এই তিনটি
ট্রেনের মধ্যে দুইটি ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে কসবা হয়ে ঢাকা যায়। আর একটি
ট্রেন নোয়াখালী থেকে কসবা হয়ে ঢাকা যায়।
প্রশ্নঃ কসবা থেকে ঢাকা প্রথম ট্রেন কয়টার সময় যায়?
উত্তরঃ কসবা থেকে ঢাকা উপকূল এক্সপ্রেস (৭১১) এই নামের ট্রেনটি সকাল ৮ঃ২৬
মিনিটে কসবা থেকে ছাড়ে। আর এই ট্রেনটি সপ্তাহে ছয় দিন চলাচল করে
শুধুমাত্র বৃহস্পতিবারের দিন বন্ধ থাকে। আপনি চাইলে সকাল ৯ টা ৪১ মিনিটে
আরেকটি ট্রেনে কসবা থেকে ঢাকা যেতে পারবেন।
প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে কসবা কয়টি আন্তঃনগর ট্রেন চলছে?
উত্তরঃ ঢাকা থেকে কসবা তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন চলছে এই তিনটি আন্তঃনগর
ট্রেনের নাম হচ্ছে, চট্টলা এক্সপ্রেস, উপকূল এক্সপ্রেস ও মহানগর
এক্সপ্রেস।
প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে কসবা কোন ট্রেন দ্রুত যায়?
উত্তরঃ ঢাকা থেকে কসবা প্রতিদিন তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন চলে এই তিনটি
আন্তঃনগর ট্রেনের মধ্যে সবথেকে তাড়াতাড়ি ঢাকা থেকে কসবা পৌঁছায় চট্টলা
এক্সপ্রেস নামের এই ট্রেন। এই ট্রেন ২ ঘন্টা ৪৬ মিনিটের মধ্যে ঢাকা থেকে
কসবা পৌঁছে যায়। বাকি দুটি ট্রেন ২ ঘন্টা ৫৪ মিনিট এবং ২ ঘন্টা ৫৬ মিনিট
সময় নেয়।
আরো পড়ুনঃ ঢাকা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
প্রশ্নঃ কসবা থেকে ঢাকা কোন ট্রেনে গেলে ভালো হবে?
উত্তরঃ আপনি তাড়াতাড়ি এবং সকাল সকাল কসবা থেকে ঢাকা যেতে চাইলে। আপনার
জন্য উপকূল এক্সপ্রেস এই ট্রেনটি ভালো হবে। এই ট্রেন সকাল ৮ঃ২৬ মিনিটে
কসবা থেকে ছাড়ে এবং ২ ঘন্টা ৫৪ মিনিটে ঢাকা পৌঁছে যায়। এর মানে
হচ্ছে সকাল ৮ টা ২৬ মিনিটে ট্রেনে উঠলে আপনি সকাল ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকা পৌঁছে
যাবেন।
শেষ কথাঃ কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
আপনারা যারা কসবা থেকে ঢাকা কখন ট্রেন ছাড়ে জানতে চেয়েছিলেন। তাদের জন্য আমি
উপরের প্রথম পয়েন্টে কসবা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী বলেছি। এর পাশাপাশি
আপনাদের সুবিধার জন্য আমি ঢাকা টু কসবা ট্রেনের সময়সূচীও
বলেছি। আপনারা যারা ট্রেনে করে কসবা থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে কসবা যাওয়া
আসা করতে চান। তারা ট্রেনে যাওয়ার আগে এই পথে কয়টি ট্রেন চলে তার নাম,
ট্রেনগুলোর ভাড়া, কোন দিন এই ট্রেনগুলো বন্ধ থাকে। সেই সাথে ট্রেন ভ্রমণ করার
আগে কি করতে হবে। কোন বিষয়গুলোতে সাবধান থাকতে হবে এবং কিভাবে এই ট্রেনের
টিকিট কাটতে হবে। এই পয়েন্ট গুলো ভালোভাবে পড়ে নিবেন। ট্রেনে যাওয়ার
আগে যদি এই তথ্যগুলো আপনারা ভালোভাবে জেনে নেন। তবে আপনাদের যাত্রা পথে কোনো
সমস্যা হবে না এবং নিশ্চিন্তে ভ্রমণ করতে পারবেন।


অপরাজিতা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url