বাঁধাকপি খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন

বাঁধাকপি খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন তা জানতে চাইলে এই আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়বেন। এই আর্টিকেলের মধ্যে আপনি বাঁধাকপিতে যেসব পুষ্টিগুণ থাকে
বাঁধাকপি-খেলে-যেসব-স্বাস্থ্য-উপকারিতা-পাবেন
এবং বাঁধাকপি খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। তাই দেরি না করে এই বাঁধাকপি সম্পর্কে যত তথ্য আছে সব তথ্য চলুন জেনে নিই।

পেজ সূচিপত্রঃ বাঁধাকপি খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন

বাঁধাকপি খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন

বাঁধাকপি চিনেনা এরকম মানুষ খুব কমই আছে এটা আমাদের দেশে অনেক পরিচিত একটি সবজি। এই সবজি প্রতিদিন কমবেশি প্রত্যেকটি বাড়িতেই রান্না করা হয়। এই বাঁধাকপি সবজির মধ্যে ভালো পরিমাণে পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়। এটা যদি নিয়ম করে মাঝেমধ্যেই খেতে পারা যায়, তাহলে এটা শরীরের জন্য ভালো উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে। এই বাঁধাকপির মধ্যে প্রাকৃতিক ফাইবার থাকে।
যা হজমের সমস্যা থাকলে তা কমাতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে দূর করে। তাই চেষ্টা করতে হবে নিয়মিত এই বাঁধাকপি খাওয়া। এছাড়াও বাঁধাকপিতে ভিটামিন সি থাকে, যেটা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে এবং শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। বাঁধাকপিতে ক্যালরির পরিমাণ কম হওয়ার কারণে, এটা ওজনকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে ভূমিকা রাখবে।

সেই সাথে এর মধ্যে থাকা ভিটামিন এবং পানি শরীরের ত্বককে ভালো রাখতে কাজ করবে। আসলে বাঁধাকপি আপনারা যদি সঠিক নিয়ম মেনে নিয়মিত খেতে পারেন। এই সবজি অনেকেই কাঁচা সিদ্ধ করে খেয়ে থাকে এবং এটা থেকে ভালো উপকার গ্রহণ করে। তাই নিয়মিত সঠিক পরিমাণে এবং সঠিকভাবে রান্না করে খাওয়ার চেষ্টা করবেন। তাহলে শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য আপনি এর উপকারিতা পাবেন।

বাঁধাকপির মধ্যে যেসব পুষ্টিগুণ থাকে

আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই জানে না বাঁধাকপির মধ্যে থাকা পুষ্টিগুণ সম্পর্কে। তারা যদি জানতো বাঁধাকপির মধ্যে কি কি পুষ্টিগুণ আছে, তাহলে তারা এটা নিয়মিত এবং সঠিক পরিমাণে খাওয়ার চেষ্টা করত। বাঁধাকপির মধ্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। 

এই উপাদানগুলো আমাদের শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো উপকারী হিসেবে কাজ করে থাকে। যেমন ভিটামিন সি থাকে, ভিটামিন কে থাকে, অল্প পরিমাণে ফাইবার থাকে, ক্যালোরি অল্প পরিমাণে থাকে। এর পাশাপাশি পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি সহ আরো বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ থাকে। 

এই পুষ্টিগুণ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। সেই সাথে এটা হজমের জন্য ভালো কাজ করতে পারে। এর পাশাপাশি শরীরের যে দৈনিক পুষ্টি বা ভিটামিন লাগে, সেসকল পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এই বাঁধাকপি। তাই নিয়মিত খাদ্যের সাথে এই বাঁধাকপির সবজিটি রাখার চেষ্টা করবেন।

কাঁচা বাঁধাকপি খাওয়ার উপকারিতা

আপনারা যদি কাঁচা বাঁধাকপি নিয়মিত খেতে পারেন, তাহলে এটা আপনার শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ এই বাঁধাকপি যদি রান্না না করা হয়, তাহলে এর মধ্যে ভিটামিন সি ভালো পরিমাণে পাওয়া যাবে। অর্থাৎ ভিটামিন সি নষ্ট হবে না বা কমবে না যা আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অনেকেই এই বাঁধাকপি থেকে ভিটামিন সি নেওয়ার জন্য বাঁধাকপির সালাদ বানিয়ে কাচা কাচা খেয়ে থাকে।

এছাড়াও এই বাঁধাকপির মধ্যে ফাইবার ভালোভাবে থাকে। যদি এটা কাঁচা খাওয়া হয়, তাহলে এটা হজমের প্রক্রিয়ায় সহায়তা করবে এবং পেটকে পরিষ্কার রেখে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা থাকলে সেটা কমাতে সাহায্য করবে। তবে যাদের গ্যাসের সমস্যা আছে, তারা এটি অল্প পরিমাণে খেয়ে দেখবে। যদি গ্যাসের সমস্যা বা গ্যাস না বাড়ে, তাহলে এটি আপনি খেতে পারেন। আর যদি গ্যাস বাড়ে, তাহলে অল্প পরিমাণে খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

রান্না করা বাঁধাকপির উপকারিতা

রান্না করা বাঁধাকপির উপকারিতা ভালো পাওয়া যাবে। তবে সেটা অবশ্যই তেলে কম ভাজতে হবে এবং হালকা করে রান্না করতে হবে। রান্না করলে বাঁধাকপির পুষ্টি উপাদান গুলো কিছুটা কমতে পারে। তবে এর থেকে কিন্তু উপকারিতা পাওয়া যাবে। যদিও কাঁচা বাঁধাকপির মধ্যে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এই সকল উপাদান গুলো একটু বেশি পাওয়া যায়। আমাদের দেশে বেশিরভাগ মানুষ এই বাঁধাকপি রান্না করে খেয়ে থাকে।

এটি রান্না করে খাওয়া হলে শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে। এই সবজির উপকারিতা বলতে এটিতে ভিটামিন সি ভালো পাওয়া যায়। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোতে সাহায্য করে এবং শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিনের খাবারের মধ্যে রান্না করা বাঁধাকপি রাখার চেষ্টা করবেন। এটা আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি গুনাগুন গুলো পূরণ করতে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে।

বাঁধাকপি খাওয়ার নিয়ম

বাঁধাকপি কাঁচা রান্না দুই ভাবেই খাওয়া যায়। তবে এটি খাওয়ার আগে অবশ্যই ভালোভাবে পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। কারণ ভালোভাবে পরিষ্কার না করা হলে, এর মধ্যে ময়লা এবং চাষাবাদ করার সময় লেগে থাকা কীটনাশক থাকতে পারে। বাঁধাকপি খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই পরিমাণ বুঝে খেতে হবে। আপনি যদি বাঁধাকপি সালাদ হিসেবে খেতে চান,

তাহলে অল্প পরিমাণে খেয়ে দেখতে হবে। প্রথমবার বেশি না খেয়ে ধীরে ধীরে এর পরিমাণ বাড়াতে হবে। যেন পেটে কোন অসস্তি না হয়। আপনি চাইলে এর সাথে লেবু রস বা লবণ যোগ করতে পারেন। এতে আপনার হজমে সহায়তা করবে। আর রান্না করে যদি খেতে চান, তবে খুব বেশি সময় ধরে এটি রান্না না করাই ভালো। হালকা সেদ্ধ করে অল্প তেলে রান্না করতে হবে।

এতে এর মধ্যে থাকা পুষ্টিগুণ ভালো পাওয়া যেতে পারে। চেষ্টা করবেন অতিরিক্ত তেল মসলা না ব্যবহার করার। আর যাদের গ্যাসের সমস্যা এবং থাইরয়েডের সমস্যা আছে, তারা এটি প্রতিদিন না খেয়ে মাঝে মধ্যে অল্প পরিমাণে খাবেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন। আর চেষ্টা করবেন প্রতিদিন একরকম সবজি না খেয়ে বিভিন্ন ধরনের সবজি খাওয়ার।

কতটুকু বাঁধাকপি প্রতিদিন খাওয়া উচিত

বাঁধাকপি প্রতিদিন কতটুকু খাওয়া উচিত, এটা আসলে নির্দিষ্ট ভাবে বলা কঠিন হয়ে যাবে। তবে অল্প পরিমাণে এই বাঁধাকপি প্রতিদিন বা নিয়মিত খেলেই যথেষ্ট। সাধারণভাবে যারা সুস্থ মানুষ এবং বয়সও মোটামুটি প্রাপ্ত তারা প্রতিদিন পরিমাণে এক কাপ কাঁচা বা রান্না যেভাবেই হোক খেতে পারে। যারা কাঁচা বাঁধাকপি খায় তাদের উচিত হবে,

এটা এক কাপের অর্ধেক অর্থাৎ আধা কাপ খাওয়া। তাছাড়া উচিত হবে প্রতিদিন বাঁধাকপি না খেয়ে সপ্তাহে কয়েকদিন অল্প পরিমাণে খাওয়া এতে করে এক ধরনের সবজি বেশি খাওয়ার কারণে যে সমস্যা বা আশংকা থাকে তা হবে না এবং শরীরও থাকবে সুস্থ। আর যাদের হজমের সমস্যা আছে বা পেটে গ্যাস তারা এটি খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন।

বাঁধাকপি খাওয়ার অপকারিতা

প্রথমত সবাই জানে যে বাঁধাকপি একটি উপকারী সবজি এবং এর মধ্যে অনেক পুষ্টিগুণাগুণ রয়েছে। তবে অনেকেই জানে না এটার কিছু খারাপ দিকও রয়েছে। অর্থাৎ বলা যায় এটার উপকারী দিক থাকলেও এটা সবার ক্ষেত্রে একই রকম কাজ নাও করতে পারে। বিশেষ করে এর সমস্যাগুলো তখনই দেখা যায় যখন এটা ভুল নিয়মে অতিরিক্ত খাওয়া হয়।
যদিও এটি খুব কম তারপরেও বাঁধাকপি খেলে গ্যাসের সমস্যা বাড়তে পারে। কারণ এর মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান গুলো হজমের সময় পেটে গ্যাস তৈরি করতে পারে। যাদের আগে থেকেই গ্যাসের সমস্যা বা বদহজমের সমস্যা আছে। তারা যদি এটি খায়, তাহলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর যাদের থাইরয়েডের সমস্যা আছে। তাদের জন্য এই বাঁধাকপি খাওয়া উচিত হবে না।

কারণ বাঁধাকপিতে যেসব উপাদান থাকে তা খুব বেশি পরিমাণে যদি খাওয়া হয়, তাহলে থাইরয়েডের স্বাভাবিক যে প্রক্রিয়া তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে কাঁচা অবস্থায় যদি খাওয়া হয় তাহলে। তবে রান্না করে খেলে এর প্রভাবটা কিছুটা কম হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে আবার এটা খেলে পেট ব্যথার মত সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।

বিশেষ করে যারা হঠাৎ করে অনেক বেশি পরিমাণে এই সবজি খেয়ে ফেলে। হঠাৎ করে খাওয়ার কারণে শরীর সেটার সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে পারেনা। যার কারণে এই সমস্যা দেখা দেয়। আর হ্যাঁ অবশ্যই বাঁধাকপি খাওয়ার আগে এটাকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। যেন এর মধ্যে কোন রাসায়নিক বা ক্যামিকেল অথবা ধুলাবালি না থাকে।

বাঁধাকপি খাওয়ার সময় সতর্কতা

বাঁধাকপি খাওয়ার আগে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। প্রথম সতর্কতা হচ্ছে বাঁধাকপি ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে, যেন এর মধ্যে কোন ধুলাবালি বা রাসায়নিক ক্যামিকাল না লেগে থাকে। দ্বিতীয় সতর্কতা হচ্ছে, যাদের পেটে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে বা হজমজনিত সমস্যা আছে। তাদের এটি খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে হবে।

তৃতীয় সতর্কতা হচ্ছে বাঁধাকপি রান্না করার সময় অতিরিক্ত তেল এবং মসলা দিয়ে রান্না করা যাবে না। এতে এর গুনাগুন নষ্ট হতে পারে এবং পেটের সমস্যা হতে পারে। চতুর্থ সর্তকতা যাদের থাইরয়েড জনিত সমস্যা আছে। তারা বাঁধাকপি রান্না করে অল্প পরিমাণে খাবেন, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেলে সব থেকে নিরাপদ হবে।

কারা এই বাঁধাকপি খেতে পারবে না

বাঁধাকপি সাধারণত যারা সুস্থ মানুষ তারা সকলেই খেতে পারে এবং এটা থেকে তারা ভালো উপকারও পেয়ে থাকে। তবে এই বাঁধাকপি বিশেষ কারণে কিছু মানুষ খেতে পারবে না বা খেলে সমস্যা হতে পারে। কারা এই বাঁধাকপি খেতে পারবে না, এই বিষয়ে অবশ্যই সকলের জানা দরকার। বিশেষ করে যাদের শারীরিক কোন সমস্যা আছে তাদের।

যেমন ধরেন যাদের অতিরিক্ত গ্যাসের সমস্যা আছে, তারপর যাদের থাইরয়েডের সমস্যা আছে এবং যাদের হজম প্রক্রিয়া দুর্বল। তাছাড়া যাদের পেটের অপারেশন হয়েছে তাদের এটি খাওয়া উচিত হবে না বা খেতে পারবে না। একেবারে যে খেতে পারবেনা তা কিন্তু নয় এটা খেতে হলে অবশ্যই অল্প পরিমাণে খেতে হবে। 

তবে সেটা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। যাদের অতিরিক্ত গ্যাসের, থাইরয়েডের ও হজম প্রক্রিয়া দুর্বল তারা যদি এটি খায়, তবে তাদের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। গ্যাস বেড়ে যেতে পারে, থাইরয়েডের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে এবং হজমে সমস্যা হয়ে পেট ফাঁপা সহ শারীরিক অস্বস্তি তৈরি হতে পারে।

বাঁধাকপি সম্পর্কিত কিছু সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ কাঁচা না রান্না করা বাঁধাকপি খাওয়া ভালো?
উত্তরঃ আমাদের দেশে বেশিরভাগ মানুষ বাঁধাকপি রান্না করে খেয়ে থাকে। তবে এটা থেকে বেশি উপকার পেতে হলে অবশ্যই এটাকে কাঁচা খেতে হবে। কাঁচা যদি খাওয়া হয়, তাহলে এর যে পুষ্টিগুন সেটা নষ্ট হয় না এবং পরিপূর্ণ ভাবে পাওয়া যায়। রান্না করে খেলেও ভালো উপকার পাওয়া যাবে তবে সেটা তেল ও মসলা কম ব্যবহার করতে হবে।

প্রশ্নঃ গ্যাসের সমস্যা থাকলে কি বাধাকপি খাওয়া যাবে?
উত্তরঃ গ্যাসের সমস্যা থাকলে বাধাকপি খাওয়া যাবে তবে অবশ্যই অল্প পরিমাণে। অল্প পরিমাণে বাঁধাকপি খাওয়ার পরেও যদি গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে এটি না খাওয়াই উচিত হবে।

প্রশ্নঃ বাঁধাকপিতে কি কি ভিটামিন পাওয়া যায়?
উত্তরঃ বাঁধাকপিতে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ভিটামিন বি সহ আরো বেশ কিছু ভিটামিন পাওয়া যায়। যেগুলো আমাদের শরীর ও স্বাস্থ্যের উপকারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে থাকে।

প্রশ্নঃ ত্বকের জন্য বাঁধাকপি কি ভালো?
উত্তরঃ ত্বকের জন্য বাঁধাকপি কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন বাঁধাকপিতে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। সেই সাথে এই বাঁধাকপিতে পানি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অল্প পরিমাণে পাওয়া যায়। যেটা ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে।
প্রশ্নঃ ওজন নিয়ন্ত্রণে বাঁধাকপি কি কার্যকরী?
উত্তরঃ ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে বাঁধাকপি কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ বাঁধাকপিতে ফাইবার থাকে যেটা ওজনকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। তবে বাঁধাকপি কে একমাত্র ওজন নিয়ন্ত্রণ করার কথা ভাবা যাবে না। এর পাশাপাশি অন্য সবজি বা খাবারও খেতে হবে বা ডায়েট প্ল্যান করতে হবে।

মন্তব্যঃ বাঁধাকপি খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন

বাঁধাকপি খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা পাবেন তা হয়তো আপনারা এতক্ষণ আমার উপরের আলোচনা থেকে জানতে পেরে গেছেন। বাঁধাকপি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী একটি সবজি। যা মূলত বিদেশিরা বেশি কাঁচা অবস্থায় খেয়ে থাকে। এটার মধ্যে অনেক ভালো পরিমাণে পুষ্টি উপাদান থাকে। যেগুলো শরীরের জন্য ভালো কাজ করে।

তবে এটা যদি সঠিক পরিমাণে না খাওয়া হয় বা পরিমানে অতিরিক্ত খাওয়া হয়, তাহলে কিছু সমস্যাও হতে পারে। তাই অল্প পরিমাণে খেতে হবে। চেষ্টা করতে হবে এটা সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন খাবার তালিকায় রাখার। আর যাদের এটি খেলে সমস্যা হয়, তাদের এটি খাওয়া থেকে এড়িয়ে চলতে হবে। এরকম তথ্য যদি আপনি আরো পেতে চান, তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অপরাজিতা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url