ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা

ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী সহ এখানে আপনি ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের আপডেট ভাড়া সম্পর্কেও জানতে পারবেন।
ঢাকা-টু-আশুগঞ্জ-ট্রেনের-সময়সূচী
আপনি যদি ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ ট্রেনে যেতে চান, তাহলে আজকের আর্টিকেলটি পড়ার পর আপনার এই যাত্রা অনেক সহজ ও সুবিধাজনক হয়ে যাবে। তাই দেরি না করে চলেন ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর সব তথ্য জেনে নিন।

পেজ সূচিপত্রঃ ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী

ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের তালিকা

ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ ট্রেনে যাওয়ার জন্য অনেক মানুষ আগ্রহ করে। ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ যাওয়ার জন্য বা যাত্রা করার জন্য প্রথমে ট্রেন নিশ্চিত করতে হয়। তবে আগে থেকেই যদি এই রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর তালিকা জানা থাকে, তাহলে এই ট্রেন সিলেকশন করতে অনেক সহজ হয়ে যায়। যারা ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ ট্রেনে যেতে চান,
তাদের এই রুটে চলাচল করা ট্রেনের তালিকা সম্পর্কে জানা অনেক দরকার। যাত্রা করার সময় কোন ধরনের সমস্যা যেন না হয়। এজন্য এই রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর তালিকা সম্পর্কে আমি আপনাদের আপডেট তথ্য দিবো। যার কারণে খুব সহজে আপনি ট্রেন নির্বাচন করতে পারবেন এবং আপনার যাত্রা আরামে সম্পূর্ণ করতে পারবেন।

ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ চলাচল করা ট্রেনের তালিকা
  • জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭)
  • উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২)
  • মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২)
ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ রুটে বর্তমানে এই তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন তাদের সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে নিয়মিত চলাচল করছে।

ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী

আপনারা যারা প্রতিদিন ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ যাতায়াত করেন বা করতে চান, তাদের ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ আপনি যদি এই সময়সূচী সম্পর্কে না জানেন, তাহলে আপনি সঠিক সময়ে সঠিক ট্রেন ধরতে পারবেন না এবং আপনার যাত্রা বিলম্বিত বা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। তাই যাত্রা করার আগে অবশ্যই ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।

ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর সময়সূচী সম্পর্কে আপনি যদি আগে থেকেই জানেন, তাহলে আপনি আপনার নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ট্রেন নির্বাচন করতে পারবেন এবং সঠিক সময়ে স্টেশনে উপস্থিত হয়ে ট্রেন ধরতে পারবেন ও আপনার গন্তব্যে আপনি খুব সহজে আরামে এবং নিরাপদে পৌঁছাতে পারবেন। তাই এখন আমি এই রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর সময়সূচি সম্পর্কে জানাবো।

ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ যাওয়া ট্রেনগুলোর সময়সূচী
ট্রেনের নাম ও নাম্বার ট্রেন ছাড়ার সময় গন্তব্য স্থানে পৌঁছানোর সময় ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন
জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭) সকাল ১১ঃ১৫ মিনিট দুপুর ১২ঃ৫৫ মিনিট মঙ্গলবার
উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) দুপুর ০৩ঃ১০ মিনিট বিকাল ০৫ঃ০০ মিনিট বুধবার
মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) রাত ০৯ঃ২০ মিনিট রাত ১১ঃ১১ মিনিট রবিবার

ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেন ভাড়া

প্রতিদিন অনেক মানুষ ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ ট্রেনের মাধ্যমে যাতায়াত করে থাকে এবং অনেকেই আছে যারা এই রুটে নতুন। এখন সমস্যা হচ্ছে যে যারা এই রুটে নতুন তারা তো এই ট্রেনের ভাড়ার তালিকা জানেনা। আর এই না জানার কারণে তারা বাজেট পরিকল্পনা সঠিকভাবে করতে পারেনা, ফলে যাত্রা করার সময় বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি বা বাজেটে সমস্যা তৈরি হয়।

যার কারণে যাত্রা আনন্দের সাথে উপভোগ করা যায় না। যদি আগে থেকেই ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ যাওয়া ট্রেনের ভাড়া সম্পর্কে জানা থাকে, তাহলে খুব সহজেই বাজেট পরিকল্পনা করা যাবে এবং যাত্রা ঝামেলা ছাড়াই সম্পূর্ণ করা যাবে। তাই যাত্রার বাজেট পরিকল্পনা যেন সহজ হয়, এজন্য এখন আমি আপনাদেরকে এই রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর বর্তমান ভাড়া কত তা জানাবো।

জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭) ট্রেনের ভাড়া

সিটের ধরন সিটের ভাড়া ট্রেনের নাম
এসি সিট ৩৫১ টাকা জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭)
শোভন চেয়ার ১৫৫ টাকা জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭)
স্নিগ্ধা ২৯৪ টাকা জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭)

উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) ট্রেনের ভাড়া

সিটের ধরন সিটের ভাড়া ট্রেনের নাম
শোভন চেয়ার ১৫৫ টাকা উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২)
স্নিগ্ধা ২৯৪ টাকা উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২)

মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) ট্রেনের ভাড়া

সিটের ধরন সিটের ভাড়া ট্রেনের নাম
শোভন চেয়ার ১৫৫ টাকা মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২)
স্নিগ্ধা ২৯৪ টাকা মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২)

ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন

যারা ট্রেনে নিয়মিত যাত্রা করে থাকেন তাদের যাত্রা করার আগে সর্বপ্রথম যে বিষয়টা জানা দরকার সেটা হচ্ছে এ ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির দিন সম্পর্কে। কারণ যাত্রা করার আগে যদি যাত্রীরা ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন সম্পর্কে না জানে, তাহলে তারা যাত্রা করার সময় বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে পারে, এমনকি যাত্রা অনিশ্চিত হতে পারে।

যাত্রা করার আগে যদি যাত্রীদের ট্রেনের ছুটির দিন জানা থাকে তাহলে যাত্রা নিশ্চিতভাবে করা যায় এবং এতে কোন ঝামেলা বা সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় না। তাই ভ্রমণ সুনিশ্চিত ও নির্ভরযোগ্য করার জন্য, এখন আমি আপনাদেরকে ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ যাওয়া ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির দিন সম্পর্কে জানাবো।

ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ যাওয়া ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির তালিকা
ট্রেনের নাম সাপ্তাহিক ছুটির দিন
জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭) মঙ্গলবার
উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) বুধবার
মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) রবিবার

ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের স্টপিস স্টেশন

যারা ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ ট্রেনে যেতে চান বা নিয়মিত যাত্রা করেন, তাদের প্রত্যেকেরই উচিত এই ট্রেনগুলো যাত্রাপথে কোন কোন স্টেশনে থামে সে সকল স্টেশনের নাম সম্পর্কে জানা। ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ রুটে প্রতিদিন বেশ কিছু ট্রেন চলাচল করে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন তার সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে নিয়মিত চলাচল করে।
এই তিনটি ট্রেন যাত্রা পথে বেশ কিছু স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিয়ে থাকে। ফলে সেখানে যাত্রীদের নামার সুযোগ থাকে এবং নতুন যাত্রী উঠে। এছাড়াও যাত্রীরা এই সকল স্টেশন থেকে অনেক সুবিধাও নিয়ে থাকে। যা যাত্রীদের ভ্রমণকে আরো আনন্দময় করে তোলে। তাই যাত্রীরা যেন এই সকল স্টেশন এর সুবিধা নিতে পারে, এজন্য এখন আমি এই ট্রেনগুলো যাত্রাপথে কোন কোন স্টেশনে দাঁড়ায় সে সকল স্টেশনের নাম সম্পর্কে বলবো।
  • জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭) এই ট্রেনটি যাত্রা শুরু করে ঢাকা স্টেশন থেকে এবং মধ্যে শুধুমাত্র বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রা বিরতি দেয় এবং সরাসরি আশুগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছায়।
  • উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) এই ট্রেনটি ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ যাওয়ার পথে মধ্যেখানে তিনটি স্টেশনে যাত্রা বিরতি দেয় এই স্টেশনগুলো হচ্ছেঃ ঢাকাবিমানবন্দরনরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ
  • মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) এই ট্রেনটিও ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ যাওয়ার পথে মধ্যখানে তিনটি স্টেশনে যাত্রা বিরতি দেয় এই স্টেশনগুলোর নাম হচ্ছেঃ ঢাকা, বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ

ঢাকা টু আশুগঞ্জ কত কিলোমিটার

অনেক যাত্রী আছে যারা গুগলে সার্চ করে থাকে যে ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ আসলে কত কিলোমিটার। কিন্তু অনেকে আছে যারা সঠিক তথ্য খুঁজে পায় না। তাই এখন আমি আপনাদেরকে গুগল ম্যাপের তথ্য অনুযায়ী ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ কত কিলোমিটার তা জানাবো। ঢাকা থেকে আশুগঞ্জের দূরত্ব গুগল ম্যাপ অনুযায়ী ৮০.৪ কিলোমিটার।

FAQ/সাধারন কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে?
উত্তরঃ ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ ট্রেনে যেতে সময় লাগে দেড় ঘন্টা থেকে দুই ঘন্টা।

প্রশ্নঃ ট্রেনে কি ঘুমানোর জন্য কোন ব্যবস্থা আছে?
উত্তরঃ যেগুলো আন্তঃনগর ট্রেন বা আধুনিক ট্রেন সেগুলোতে এসি বার্থ বা কেবিন পাওয়া যায় এই কেবিনে ঘুমানোর ব্যবস্থা থাকে।

প্রশ্নঃ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কিভাবে কাটবো?
উত্তরঃ অনলাইনে আপনি eticket.railway.gov.bd এই ওয়েবসাইটে খুব সহজেই ঘরে বসে থেকে ট্রেনের টিকিট কাটতে পারবেন। এই ওয়েবসাইটে আপনি কিভাবে ট্রেনের টিকিট কাটবেন তা জানতে হলে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম এই পোস্টটি পড়তে পারেন।

প্রশ্নঃ ট্রেনের টিকিট কিভাবে বাতিল করবো?
উত্তরঃ ট্রেনের টিকিট বাতিল করার জন্য প্রথমেই রেল সেবা অ্যাপে লগইন করতে হবে এবং প্রোফাইল থেকে পারচেজ অপশনে টিকিট রিফান্ড অপশনে গিয়ে খুব সহজেই তাদের শর্ত অনুযায়ী আপনি আপনার ট্রেনের টিকিট বাতিল করতে পারবেন। আর একটু গভীরভাবে জানতে চাইলে ট্রেনের টিকিট ফেরত দিবেন যেভাবে এই পোস্টটি পড়ে আসতে পারেন

প্রশ্নঃ ট্রেনে কি মোবাইল চার্জ করা যায়?
উত্তরঃ বর্তমান সময়ে সকল ট্রেন আধুনিক হওয়ার কারণে এই ট্রেনগুলোতে প্রতিটি সিটের পাশে চার্জিং পয়েন্ট রাখা হয়েছে। এইগুলোকে যাত্রীরা খুব সহজে মোবাইল ফোনের চার্জার ঢুকিয়ে চার্জ করে নিতে পারবেন।

ট্রেন যাত্রা করার আগে করনীয় কিছু পদক্ষেপ

ট্রেন যাত্রা করার আগে এবং ট্রেন যাত্রা করার সময় করণীয় কিছু পদক্ষেপ সম্পর্কে এখন আমি আপনাদেরকে জানাবো যেন আপনারা নিরাপদে এবং আনন্দে আপনাদের ভ্রমণ সম্পন্ন করতে পারেন।

ট্রেনে যাত্রা করার আগে অবশ্যই টিকিট কনফার্ম করতে হবে। টিকিট কনফার্ম হওয়ার পর সময়সূচী সম্পর্কে অবশ্যই আগে থেকে জেনে নিবেন। এতে আপনার যাত্রা অনিশ্চিত হবে না বরং নিশ্চিত ভ্রমণ করতে পারবেন কোন ঝামেলা ছাড়া। ট্রেনের টিকিট থেকে টেনের নাম ও নাম্বার জেনে নিবেন। এরপর আপনার প্রয়োজনীয় সকল জিনিস আপনার ব্যাগে ঢুকিয়ে নিবেন।

তারপর যখন সবকিছু রেডি হয়ে যাবে, তখন আপনি স্টেশনে পৌঁছাবেন যাত্রা শুরুর ৩০ মিনিট আগে। যখন ট্রেন আসবে তখন তাড়াহুড়া না করে ট্রেন যখন ভালোভাবে থামবে তখন ট্রেনে উঠবেন। ট্রেনে উঠে আপনার নির্দিষ্ট আসনে বসে পড়বেন এবং আপনার যে জিনিসপত্র সেগুলো আপনার সিটের নিচে বা নিরাপদ স্থানে রাখবেন। অবশ্যই নিজের জিনিসপত্র নিজের আয়ত্তে রাখবেন। ট্রেনে ওঠার পর অপরিচিত কোন ব্যক্তির কাছে পানি অথবা কোন খাবার নিবেন না।
ট্রেনে যাত্রা করার সময় অবশ্যই চেষ্টা করবেন বাসা থেকে বিশুদ্ধ পানি নেওয়ার। ট্রেনে বিভিন্ন ধরনের মানুষ যাত্রা করে এদের মধ্যে বয়স্ক মুরব্বি মানুষও যাতায়াত করে থাকে। অবশ্যই যাত্রা করার সময় এই সকল ব্যক্তিদের যেন কোন সমস্যা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন এবং তারা কোন বিপদে পড়লে সাহায্য করার চেষ্টা করবেন। ট্রেনে যদি কোনো সমস্যা বা বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে আপনি পড়েন, তাহলে ট্রেনের দায়িত্বে থাকা পুলিশ অথবা ট্রেনের কর্মচারীদের জানাবেন।

শেষ কথাঃ ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী

ঢাকা টু আশুগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী ও ঢাকা থেকে আশুগঞ্জ ট্রেন ভাড়া সম্পর্কে আমি সকল আপডেট তথ্য আমার আর্টিকেলের মধ্যে দিয়েছি। এছাড়াও এই আর্টিকেলের মধ্যে আমি এই ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন, এই ট্রেনের স্টপেজ স্টেশনের নাম এবং ট্রেনে যাত্রা করার আগে করনীয় কিছু পদক্ষেপ সম্পর্কেও আলোচনা করেছি। আশা করছি আমার এই তথ্য থেকে আপনি উপকৃত হয়েছেন। আপনি যদি আমার এই তথ্য থেকে উপকৃত হয়ে থাকেন,

তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনি আপনার পরিচিত মানুষদের কাছে শেয়ার করে দেবেন। এছাড়াও এই আর্টিকেলটি নিয়ে আপনার যদি কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকে অথবা আপনি যদি নতুন কোন তথ্য সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে নিচে থাকা কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন। আমরা প্রতিদিন পরিবহন সম্পর্কিত তথ্য সহ আরো বিভিন্ন ধরনের তথ্য আমাদের ব্লগে প্রকাশ করে থাকি। তাই সকল আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অপরাজিতা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url