ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা
ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী ও ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেন ভাড়ার তালিকা সম্পর্কে
এই আর্টিকেলের মধ্যে আপনি বিস্তারিত তথ্য খুব সহজেই জেনে নিতে পারবেন।
আপনি যদি ঢাকা টু ভাঙ্গা যাত্রা করতে চান, তাহলে অবশ্যই এই আর্টিকেলটি প্রথম থেকে
শেষ পর্যন্ত পড়া লাগবে।। তাই দেরি না করে চলুন এই রুটে চলাচল করা ট্রেনের সকল
আপডেট তথ্য নেওয়া যাক।
পেজ সূচিপত্রঃ ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী
- ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের তালিকা ২০২৫
- ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী
- ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেন ভাড়া ২০২৫
- ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন
- ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
- ঢাকা টু ভাঙ্গা কত কিলোমিটার
- ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে
- ট্রেন যাত্রা করার সময় করণীয় কিছু টিপস
- FAQ/সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
- শেষ কথাঃ ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী
ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের তালিকা ২০২৫
আপনারা যারা নিয়মিত এই রুটে চলাচল করেন বা নতুন এই পথে যাত্রা করতে চান, তাদের
এই রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর তালিকা সম্পর্কে জানা অনেক জরুরী। কারণ এইরুটে
চলাচল করা ট্রেনগুলোর তালিকা যদি আপনি আগে থেকেই জেনে থাকেন, তাহলে আপনার যাত্রা
করার সময় কোন সমস্যা হবে না।
আরো পড়ুনঃ রাজশাহী টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী
আর আপনি খুব সহজেই তখন যাত্রা করতে পারবেন। তাই প্রথমে আপনাকে এই রুটে চলাচল করা
ট্রেনগুলোর তালিকা সম্পর্কে জানতে হবে। এই রুটে প্রতিদিন লোকাল ট্রেনের পাশাপাশি
বেশ কিছু আন্তঃনগর ট্রেনেও চলাচল করে। এদের মধ্যে তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত
তাদের সপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে চলাচল করে, এই ট্রেনগুলো হলো
- সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬)
- মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৫)
- বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৬)
ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী
প্রতিদিন অনেক মানুষ ঢাকা থেকে ভাঙ্গা ট্রেনে যাতায়াত করে থাকে। এই রুটে
চলাচল সহজ করার জন্য প্রথমেই এই রুটে চলাচল করার ট্রেনগুলোর সময়সূচী সম্পর্কে
জানা দরকার। আগে থেকেই যদি ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে
যাত্রীদের জানা থাকে, তাহলে তাদের যাতায়াত সহজ হবে এবং যাত্রা হবে
নিশ্চিত।
কারণ আগে থেকে যদি এই ট্রেনগুলোর সময়সূচী জানা না থাকে, তাহলে যাত্রা করার
সময় অনেক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়, যেটা যাত্রাকে অনিশ্চিত করে দিতে
পারে। তাই যাত্রা যেন নিশ্চিন্তে এবং ঝামেলা মুক্ত হয়, তার জন্য এখন
আমি এই ট্রেনগুলোর সময়সূচী সম্পর্কে জানাবো। এখন আমি যে তথ্য আপনাদের জানাবো
এগুলো মূলত রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া তথ্য।
ঢাকা থেকে ভাঙ্গা চলাচল করা ট্রেনগুলোর সময়সূচী
| ট্রেনের নাম ও নাম্বার | ট্রেন ছাড়ার সময় | গন্তব্য স্থানে পৌঁছানোর সময় | ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন |
|---|---|---|---|
| সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬) | সকাল ০৮ঃ০০ মিনিট | সকাল ০৯ঃ০৭ মিনিট | বুধবার |
| মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৫) | দুপুর ০৩ঃ০০ মিনিট | বিকাল ০৪ঃ২৮ মিনিট | শনিবার |
| বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৬) | রাত ১১ঃ৩০ মিনিট | রাত ১২ঃ৪০ মিনিট | বুধবার |
ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেন ভাড়া ২০২৫
যাত্রার বাজেট পরিকল্পনা করার জন্য প্রথমেই আপনাকে ঢাকা থেকে ভাঙা যাওয়া
ট্রেনগুলোর ভাড়া তালিকা সম্পর্কে জানতে হবে। আপনার যদি আগে থেকেই এই
ট্রেনগুলোর কোন সিটের ভাড়া কেমন তা জানা থাকে, তাহলে এই ট্রেনগুলোতে যাত্রা
করার জন্য যাত্রার বাজেট পরিকল্পনা খুব সহজেই করতে পারবে।
আর আপনি যদি যাত্রার আগে বাজেট পরিকল্পনা করে সিট বেছে নিতে পারেন, তাহলে আপনি
আপনার যাত্রা ঝামেলা ছাড়াই খুব সুন্দর ভাবে আপনার পরিকল্পনা মত সম্পূর্ণ করতে
পারবেন। তাই এখন আমি রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী এই রুটে
চলাচল করা তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনের ভাড়ার তালিকা সম্পর্কে আপনাদের জানাবো।
সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | সিটের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| এসি সিট | ৬১০ টাকা | সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬) |
| শোভন চেয়ার | ২৬৫ টাকা | সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬) |
| স্নিগ্ধা | ৫১২ টাকা | সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬) |
মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৫) ট্রেনের ভাড়া
- শোভন চেয়ারের ভাড়া ২৬৫ টাকা।
বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৬) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | সিটের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| এসি সিট | ২৬৫ টাকা | বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৬) |
| শোভন চেয়ার | ৫১২ টাকা | বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৬) |
ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন
যারা ট্রেনে করে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা যাত্রা করতে চান বা নিয়মিত করেন। তাদের এই
রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির তালিকা সম্পর্কে জানতে হবে। কেননা
এই রুটে চলাচল করা ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির দিন সম্পর্কে যদি আগে জানা না
থাকে, তাহলে যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।
যাত্রা যেন নিশ্চিত এবং নির্ভরযোগ্য হয় তার জন্য এই ট্রেনের ছুটির দিন
সম্পর্কে জানা জরুরী। অনেকেই আছে যারা ছুটির দিন সম্পর্কে জানে না এবং এই না
জানার কারণে তারা স্টেশনে গিয়ে বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে। নিচে এই
ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির দিন উল্লেখ করা হলো,
ঢাকা থেকে ভাঙ্গা চলাচল করা ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির দিন
| ট্রেনের নাম | সাপ্তাহিক ছুটির দিন |
|---|---|
| সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬) | বুধবার |
| মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৫) | শনিবার |
| বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৬) | বুধবার |
ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
ঢাকা থেকে ভাঙ্গা প্রতিদিন বেশ কিছু ট্রেন চলাচল করে থাকে। সেগুলোর মধ্যে
উল্লেখযোগ্য তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত এই রুটে চলাচল করে তার সাপ্তাহিক
ছুটির দিন বাদে। এই ট্রেনগুলো মূলত এই রুটে চলাচল করার সময় বেশ কিছু
স্টেশনে যাত্রা বিরতি দিয়ে থাকে। এইসব স্টেশনগুলোতে যখন এই ট্রেনগুলো থামে তখন
যারা নতুন যাত্রী তারা এই ট্রেনে যাত্রা করতে পারে। এছাড়াও এই ট্রেনগুলো
বিভিন্ন স্টেশনে থামার কারণে অনেক মানুষের সুবিধাও ভালো হয়।
আরো পড়ুনঃ ইসবগুলের ভুষি অপকারিতা জানুন
তাছাড়া ঢাকা থেকে ভাঙ্গা যাত্রা পথে এই ট্রেনগুলো যে সকল স্টেশনে থামে। সেই
স্টেশনগুলোর নাম সম্পর্কেও জানা অনেক দরকার। কেননা যাত্রার সময় যদি কোন তথ্য
অপরিপূর্ণ থাকে। তাহলে সেটা যাত্রাতে সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাবে যাত্রার আগে
সকল তথ্য জানা থাকলে যাত্রায় কোন ঝামেলা বা সমস্যা হয় না তাই এই ট্রেনগুলো
যাত্রাপথে কোন কোন স্টেশন গুলোতে থামে চলুন জেনে নেওয়া যাক।
- সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬) এই ট্রেনটি যাত্রা পথে কোথাও থামেনা সরাসরি ঢাকা থেকে ছেড়ে যায় এবং ভাঙ্গা স্টেশনে পৌঁছায়।
- মধুমতি এক্সপ্রেস (৭৫৫) এই ট্রেনটির বিরতি ইস্টিশনের নাম হচ্ছে ঢাকা, শ্রীনগর, মাওয়া, পদ্মা, শিবচর, ভাঙ্গা এই ট্রেনটি এই সকল স্টেশনগুলোতে যাত্রা বিরতি দিয়ে থাকে।
- বেনাপোল এক্সপ্রেস (৭৯৬) এই ট্রেনটিও যাত্রা পথে কোথাও থামেনা সরাসরি ঢাকা থেকে ছেড়ে যায় এবং ভাঙ্গা স্টেশনে পৌঁছায়।
ঢাকা টু ভাঙ্গা কত কিলোমিটার
সাধারণভাবে অনেক মানুষ গুগলে সার্চ করে থাকেন যে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা কত
কিলোমিটার। কিন্তু তারা সঠিক তথ্য পায় না এজন্য এখন আমি সকল তথ্য
পর্যালোচনা করার পর আপনাদেরকে সঠিক তথ্য জানাবো, যে আসলে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা কত
কিলোমিটার। ঢাকা থেকে ভাঙ্গার সড়ক পথের দূরত্ব প্রায় ৮৮ কিলোমিটার
তবে রেলপথে এর দূরত্ব কিছুটা বেশি হতে পারে।
ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে
ঢাকা থেকে ভাঙ্গা ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে তা আপনারা অনেকেই জানতে চান। ঢাকা
থেকে ট্রেনে যেতে সাধারণত এক থেকে দেড় ঘন্টা সময় লেগে থাকে। তবে এই সময়টা
নির্ভর করে ট্রেনের সময়সূচির ওপর এবং ট্রেনের গতির ওপর। কারণ ট্রেন যত দ্রুত
চলবে গন্তব্যস্থানে ততো দ্রুত পৌঁছানো যাবে। এছাড়াও ট্রেনগুলো যাত্রাপথে বেশ
কিছু ষ্টেশনে থামে। যার কারণে এই সময়টা কিছুটা বেশি লাগতে পারে। তবে সর্বোচ্চ
যদি সময় লাগে তাহলে দুই ঘন্টা লাগবে।
ট্রেন যাত্রা করার সময় করণীয় কিছু টিপস
ট্রেন যাত্রা করার সময় যেন কোন রকম সমস্যা না হয় এবং ট্রেন যাত্রা যেন
আনন্দদায়ক ও নিরাপদ হয় তার জন্য আমি ট্রেন যাত্রা করার আগে করনীয়
কিছু টিপস সম্পর্কে জানাবো।
প্রথমেই আপনি ট্রেনে যাত্রা করার আগে আপনার টিকিটটি কনফার্ম করে নিবেন। টিকিট
আপনি রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনের মাধ্যমে কাটতে পারবেন।
অথবা আপনি সরাসরি রেলস্টেশনে গিয়ে টিকিট কাউন্টার থেকে এই টিকিট সংগ্রহ করতে
পারেন। আপনি যে ট্রেনে ভ্রমণ করতে চান বা টিকিট কেটেছেন। সেই ট্রেনের
সময়সূচী যাত্রা করার একদিন আগেই ভালোভাবে দেখে নিবেন এবং ট্রেন নাম্বার
যাচাই করে নিবেন।
এরপর আপনি আপনার প্রয়োজনীয় সকল জিনিস যা আপনার যাত্রার জন্য প্রয়োজন হবে,
সেগুলো একটি ব্যাগে নিয়ে নিবেন। অবশ্যই ট্রেন ছাড়ার প্রায় আধা ঘন্টা
আগে আপনি স্টেশনে উপস্থিত হবেন। এতে আপনার ট্রেন ছুটে
যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না। ট্রেনে যাত্রা করার সময় নিজের জিনিসপত্র
নিজের আয়ত্তে রাখবেন এবং অপরিচিত কারো জিনিসপত্র নিবেন না বা খাবেন
না। ট্রেন যখন সম্পূর্ণ থেমে যাবে তখন ট্রেনে উঠে পড়বেন। চলতি
অবস্থায় ট্রেনে উঠতে যাবেন না এতে বিপদ হতে পারে।
আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বস্তা বা লাগেজ আপনার ট্রেনের সিটের নিচে অথবা
নিরাপদ স্থানে রাখবেন এবং নিজের দায়িত্বে রাখবেন। ট্রেনযাত্রা করার সময়
অবশ্যই চেষ্টা করবেন বাসা থেকে বিশুদ্ধ পানি নিয়ে যাওয়া। অপরিচিত কারো
দেওয়া খাবার খাবেন না। আর সর্বশেষ যে কথা সেটা হচ্ছে এই ট্রেনে যাত্রা
করার সময় অনেক ধরনের মুরুব্বী বা বয়স্ক লোক থাকে। যারা বিপদগ্রস্ত হয় বা
সমস্যায় পড়ে তাদের পারলে সাহায্য করবেন। অবশ্যই ট্রেনে যাত্রা
করার সময় এই সকল টিপস গুলো ফলো করবেন।
FAQ/সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নঃ ট্রেন কোথায় কিভাবে জানবো?
উত্তরঃ ট্রেন কখন কোথায় আছে তার একটিভ লোকেশন জানতে চাইলে আপনাকে ১৬৩১৮ এই
নম্বরে ট্রেন নম্বর লিখে এসএমএস পাঠিয়ে দিতে হবে তারপর তারা সেই
ট্রেনের অ্যাক্টিভ লোকেশন আপনাকে জানিয়ে দেবে।
প্রশ্নঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে জংশন কয়টি?
উত্তরঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে জংশন টোটাল ৪৫৮ টি
প্রশ্নঃ ট্রেনের টিকিট কিভাবে কাটবো?
উত্তরঃ ট্রেনের টিকিট আপনি রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আপনার গন্তব্য
এবং আপনি কোথা থেকে যাত্রা করতে চান সেটা সিলেট করে। গন্তব্যের তারিখ সিলেট
করার পর এই ওয়েবসাইটে সার্চ করবেন করা হলে সেখান থেকে আপনি খুব সহজেই
অনলাইনের মাধ্যমে টিকিট কেটে নিতে পারবেন।
প্রশ্নঃ ট্রেনের টিকিট কোথায় পাবো?
উত্তরঃ ট্রেনের টিকিট আপনি সরাসরি রেলওয়ে স্টেশন থেকে পেয়ে যাবেন অথবা
eticket.railway.gov.bd এই ওয়েবসাইট থেকে পেয়ে যাবেন।
প্রশ্নঃ ট্রেনে যাত্রা করা ভালো নাকি বাসে যাত্রা করা ভালো?
উত্তরঃ ট্রেনে যাত্রা করা ভালো নাকি বাসে যাত্রা করা ভালো এটা পুরোটাই
নির্ভর করে যাত্রীদের রুচির ওপর। অনেকেই বাসে যাত্রা করতে পছন্দ করে, আবার
অনেকে ট্রেনে যাত্রা করতে পছন্দ করে। তবে সব থেকে আরামদায়ক নিরাপদ মাধ্যম
হচ্ছে ট্রেন যাত্রা। কারণ ট্রেনে যাত্রা করলে যাত্রা হয় অনেক আরামে ও
নিরাপদে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্য স্থানে পৌঁছানো যায়।
শেষ কথাঃ ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী
ঢাকা টু ভাঙ্গা ট্রেনের সময়সূচী আমার এই আর্টিকেলে আমি বিস্তারিত জানিয়েছি।
এর পাশাপাশি এখানে আমি এই ট্রেনের ভাড়া এবং এই ট্রেনের স্টপিস স্টেশনগুলোর
নাম ও সাপ্তাহিক ছুটির দিন সম্পর্কেও জানিয়েছি। অবশ্যই ট্রেনে যাত্রা করার
সময় আমি যে টিপসগুলো উপরে আলোচনা করেছি এই গুলো ভালোভাবে পড়ে নিবেন, তাহলে
আপনার যাত্রা অনেক সহজ ও সুবিধার হয়ে উঠবে।
আশাকরছি আমার এই তথ্য থেকে আপনি উপকৃত হয়েছেন। আপনি যদি আমার এই তথ্য থেকে
উপকৃত হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই এই আর্টিকেলটি আপনি আপনার পরিচিত মানুষদের
কাছে শেয়ার করে দিবেন। এছাড়াও আমার এই আর্টিকেলটি নিয়ে আপনার যদি কোন
প্রশ্ন বা মতামত থাকে অথবা আপনি যদি নতুন কোন তথ্য জানতে চান, তাহলে সেটা
নিজে কমেন্ট বক্সে জানাবেন।

অপরাজিতা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url