ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া আপডেট তালিকা
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে জানতে চান? এখানে আপনি ঢাকা
থেকে ভৈরব যাওয়া ট্রেনের সময়সূচী সহ ঢাকা টু ভৈরব ট্রেন ভাড়া ২০২৬ সম্পর্কে
জানতে পারবেন।
এর সাথে আপনি এই আর্টিকেল থেকে ঢাকা টু ভৈরব যেসব ট্রেন চলাচল করে তার তালিকাও
জানতে পারবেন। তাই চলুন ঢাকা থেকে ভৈরব কোন ট্রেন গুলো চলাচল করে, কখন চলাচল
করে তার সময় এবং এর ভাড়া সম্পর্কে জেনে নিন।
পেজ সুচিপত্রঃ ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী
-
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের তালিকা ২০২৬
- ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
-
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেন ভাড়া ২০২৬
-
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন
-
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
-
ঢাকা টু ভৈরব কত কিলোমিটার
-
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে
-
ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়া ট্রেনের সুবিধা ও অসুবিধা
-
ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা
- FAQ/ঢাকা টু ভৈরব ট্রেন সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
- শেষ কথাঃ ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের তালিকা ২০২৬
ঢাকা থেকে ভৈরব যারা ট্রেনে করে যেতে চান। তাদের আগে ঢাকা থেকে ভৈরব যেসব
ট্রেনগুলো চলাচল করে তার নাম বা তালিকা সম্পর্কে জানতে হবে। কারণ আগেই যদি
এই পথে চলাচল করা ট্রেনগুলোর নাম আপনাদের জানা থাকে। তাহলে আপনারা সঠিক ট্রেন
বাছাই করে ঢাকা থেকে ভৈরব যেতে পারবেন খুব সহজে।
আরো পড়ুনঃ কুমিল্লা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
যাত্রীদেরকে সুবিধা দেওয়ার জন্য রেলওয়ে কৃতপক্ষ ঢাকা থেকে ভৈরব অনেকগুলো
ট্রেন চালু রেখেছে। এই ট্রেনগুলো সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ঢাকা
থেকে ভৈরবের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এখনকার আপডেট তথ্য মতে ঢাকা থেকে ভৈরব রুটে
১০টি আন্তঃনগর ট্রেন, তাদের সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে নিয়মিত চলাচল করছে।
চলুন এই দশটি ট্রেনের নামের তালিকা সম্পর্কে জেনে নিন।
ঢাকা থেকে ভৈরব চলাচল করা ট্রেনের তালিকা
| ঢাকা টু ভৈরব রেলের তালিকা |
|---|
| পার্বত্য এক্সপ্রেস (৭০৯) |
| এগারো সিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) |
| মহানগর প্রভাতী (৭০৪) |
| কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৮১) |
| চট্টালা এক্সপ্রেস (৮০২) |
| উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) |
| এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) |
| মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) |
| উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) |
| তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) |
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
ঢাকা থেকে ভৈরব ট্রেনে যাওয়ার জন্য আপনাদের ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী জানতে
হবে। কারণ আপনি যদি ঢাকা থেকে ভৈরব চলাচল করা ট্রেনগুলোর সময়সূচী।
অর্থাৎ কখন এ ট্রেনগুলো ঢাকা থেকে ভৈরবের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়, এই সময় জানতে
পারেন। তবে আপনি নিশ্চিন্তে সঠিক সময়ে,
এই ট্রেনগুলোতে ঢাকা থেকে ভৈরব যেতে পারবেন। যারা ট্রেনে বেশি চলাচল করে,
তাদের প্রত্যেকেরই উচিত ট্রেনের সময়সূচী গুলো ভালোভাবে জেনে নেওয়া। কারণ
কোন সময় কোন ট্রেন ঢাকা থেকে ভৈরব যায় তা যদি জানা থাকে। তবে ভ্রমণ পরিকল্পনা
করতে সহজ হয় এবং সহজেই ঢাকা থেকে ভৈরব ট্রেনে করে যাওয়া যায়।
ঢাকা থেকে সকাল ৬:৩০ মিনিটে প্রথম ট্রেন ভৈরবের উদ্দেশ্যে যাই এবং সর্বশেষ ট্রেন
রাত ১১ টা ১৫ মিনিটে। এর মধ্যে বিভিন্ন সময়ে অনেকগুলো ট্রেন চলাচল করে। তাই
আপনি যদি ঢাকা থেকে ভৈরব ট্রেনে করে যেতে চান। আর এই ট্রেনগুলো কখন ঢাকা
থেকে ভৈরবের উদ্দেশ্যে ছাড়ে জানতে চান। তাহলে নিচে এর তালিকা দেওয়া হলো।
ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়া ট্রেনগুলোর সময়সূচী
| ট্রেনের নাম ও নাম্বার | ট্রেন ছাড়ার সময় | গন্তব্য স্থানে পৌঁছানোর সময় | ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন |
|---|---|---|---|
| পার্বত্য এক্সপ্রেস (৭০৯) | সকাল ৬ঃ৩০ মিনিট | সকাল ৮ঃ০৩ মিনিট | সোমবার |
| এগারো সিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) | সকাল ৭ঃ১৫ মিনিট | সকাল ৮ঃ৫৩ মিনিট | বুধবার |
| মহানগর প্রভাতী (৭০৪) | সকাল ৭ঃ৪৫ মিনিট | সকাল ৯ঃ১৬ মিনিট | প্রতিদিন চলাচল করে |
| কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৮১) | সকাল ১০ঃ৩০ মিনিট | দুপুর ১২ঃ১৫ মিনিট | মঙ্গলবার |
| চট্টালা এক্সপ্রেস (৮০২) | দুপুর ২ঃ১৫ মিনিট | দুপুর ৩ঃ৫৭ মিনিট | শুক্রবার |
| উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) | দুপুর ৩ঃ১০ মিনিট | বিকাল ৪ঃ৫০ মিনিট | বুধবার |
| এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) | সন্ধ্যা ৬ঃ৪৫ মিনিট | রাত ৮ঃ৩০ মিনিট | প্রতিদিন চলাচল করে |
| মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) | রাত ৯ঃ২০ মিনিট | রাত ১১ঃ০০ মিনিট | রবিবার |
| উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) | রাত ১০ঃ০০ মিনিট | রাত ১১ঃ৪০ মিনিট | বুধবার |
| তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) | রাত ১১ঃ১৫ মিনিট | রাত ১২ঃ৪৯ মিনিট | প্রতিদিন চলাচল করে |
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেন ভাড়া ২০২৬
আপনারা যারা ঢাকা থেকে ভৈরব ট্রেনে করে যান বা যেতে চান। তারা অনেকেই জানেন না
যে ট্রেনে করে ঢাকা থেকে ভৈরব যেতে কত টাকা ভাড়া লাগে। যার কারণে
অনেকেই গুগলে প্রশ্ন করে থাকে যে ঢাকা থেকে ভৈরব ট্রেন ভাড়া কত।
আপনাদের সুবিধার জন্য এখন আমি আপনাদেরকে ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়া ট্রেনগুলোর ভাড়া
জানাবো। এই ভাড়াগুলো জানার পর আপনারা আপনাদের সামর্থ্য অনুযায়ী এই ট্রেনের
টিকিট কাটতে পারবেন। ভাড়ার তালিকা যদি আগে থেকেই জানা থাকে। তাহলে বাজেট
পরিকল্পনা করতেও অনেক সহজ হয়।
এই পথে যে ট্রেনগুলো চলে, এ ট্রেনগুলো আন্তঃনগর ট্রেন হওয়ার কারণে। এই
ট্রেনগুলোর মধ্যে অনেক ধরনের সিটের ব্যবস্থা থাকে। যার কারণে এই শীটগুলোর ভাড়া
কম থেকে বেশি পর্যন্ত হয়ে থাকে। তাই দেরি না করে চলুন ট্রেনে করে ঢাকা
থেকে ভৈরব যেতে কোন সিটের জন্য কত টাকা লাগবে তা জেনে নেওয়া যাক।
পার্বত্য এক্সপ্রেস (৭০৯) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | সিটের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| স্নিগ্ধা | ২৩৬ টাকা | পার্বত্য এক্সপ্রেস (৭০৯) |
| শোভন চেয়ার | ১২৫ টাকা | পার্বত্য এক্সপ্রেস (৭০৯) |
| ফাস্ট সিট | ১৯০ টাকা | পার্বত্য এক্সপ্রেস (৭০৯) |
| এসি সিট | ২৮২ টাকা | পার্বত্য এক্সপ্রেস (৭০৯) |
এগারো সিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | সিটের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| শোভন | ১০৫ টাকা | এগারো সিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) |
| শোভন চেয়ার | ১২৫ টাকা | এগারো সিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) |
| ফাস্ট চেয়ার | ১৯০ টাকা | এগারো সিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) |
| ফাস্ট সিট | ১৯০ টাকা | এগারো সিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) |
মহানগর প্রভাতী (৭০৪) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | সিটের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| শোভন চেয়ার | ১২৫ টাকা | মহানগর প্রভাতী (৭০৪) |
| ফাস্ট সিট | ১৯০টাকা | মহানগর প্রভাতী (৭০৪) |
| এসি সিট | ২৮২ টাকা | মহানগর প্রভাতী (৭০৪) |
| স্নিগ্ধা | ২৩৬ টাকা | মহানগর প্রভাতী (৭০৪) |
কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৮১) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | নিজের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| এসি সিট | ২৮২ টাকা | কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৮১) |
| শোভন চেয়ার | ১২৫ টাকা | কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৮১) |
| স্নিগ্ধা | ২৩৬ টাকা | কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৮১) |
চট্টালা এক্সপ্রেস (৮০২) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | নিজের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| স্নিগ্ধা | ২৩৬ টাকা | চট্টালা এক্সপ্রেস (৮০২) |
| এসি সিট | ২৮২ টাকা | চট্টালা এক্সপ্রেস (৮০২) |
| শোভন চেয়ার | ১২৫ টাকা | চট্টালা এক্সপ্রেস (৮০২) |
উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | সিটের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| শোভন চেয়ার | ১২৫ টাকা | উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) |
| স্নিগ্ধা | ২৩৬ টাকা | উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) |
এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | সিটের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| শোভন | ১০৫ টাকা | এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) |
| শোভন চেয়ার | ১২৫ টাকা | এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) |
| ফার্স্ট চেয়ার | ১৯০ টাকা | এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) |
| ফাস্ট সিট | ১৯০ টাকা | এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) |
মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | সিটের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| শোভন চেয়ার | ১২৫ টাকা | মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) |
| এসি বার্থ | ৪৭৬ টাকা | মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) |
| স্নিগ্ধা | ২৩৬ টাকা | মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) |
উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | সিটের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| শোভন চেয়ার | ১২৫ টাকা | উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) |
| এসি বার্থ | ৪৭৬ টাকা | উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) |
| স্নিগ্ধা | ২৩৬ টাকা | উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) |
তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) ট্রেনের ভাড়া
| সিটের ধরন | সিটের ভাড়া | ট্রেনের নাম |
|---|---|---|
| শোভন চেয়ার | ১২৫ টাকা | তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) |
| ফাস্ট বার্থ | ৩৩২ টাকা | তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) |
| এসি বার্থ | ৪৭৬ টাকা | তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) |
| স্নিগ্ধা | ২৩৬ টাকা | তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) |
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন
আপনারা যারা ঢাকা থেকে ভৈরব ট্রেনে করে যেতে চাচ্ছেন। তারা অবশ্যই ট্রেনে
যাওয়ার আগে ঢাকা থেকে ভৈরব যেসব ট্রেন যাই সেসব ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন
সম্পর্কে জেনে নেবেন। এখন হয়তো ভাবছেন কোথায় আপনি এই ট্রেনগুলোর
সাপ্তাহিক ছুটির দিন জানতে পারবেন।
আপনাদের সুবিধার জন্য এখন আমি আপনাদেরকে ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়া ট্রেনগুলো কোন
দিন বন্ধ থাকে। তার সাপ্তাহিক ছুটির তালিকা সম্পর্কে জানাবো। আপনারা যদি আগে
থেকে এই ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন জানেন। তবে আপনারা ভুল ট্রেন নির্বাচন
করবেন না এবং নিশ্চিন্তে সঠিক ট্রেন নির্বাচন করে নির্দিষ্ট দিনে যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়া ট্রেনগুলোর সাপ্তাহিক ছুটির তালিকা
| ট্রেনের নাম | ট্রেন বন্ধের দিন |
|---|---|
| পার্বত্য এক্সপ্রেস (৭০৯) | সোমবার |
| এগারো সিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) | বুধবার |
| মহানগর প্রভাতী (৭০৪) | প্রতিদিন চলাচল করে |
| কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৮১) | মঙ্গলবার |
| চট্টালা এক্সপ্রেস (৮০২) | শুক্রবার |
| উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) | বুধবার |
| এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) | প্রতিদিন চলাচল করে |
| মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) | রবিবার |
| উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) | বুধবার |
| তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) | প্রতিদিন চলাচল করে |
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
এখন আমি আপনাদের সুবিধার জন্য। ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়া ট্রেনগুলো মাঝপথে কোন কোন
স্টেশনে দাঁড়াই, সে স্টেশনগুলোর নাম বলবো। এই স্টেশনগুলোর নাম যদি আগে
থেকে জানা থাকে। তবে আপনারা এই স্টেশনগুলোর সুবিধা নিতে পারবেন এবং যেকোনো
সমস্যায়। এসব স্টেশনের ব্যবহার করতে পারবেন।
পার্বত্য এক্সপ্রেস (৭০৯) ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
| পার্বত্য এক্সপ্রেস (৭০৯) |
|---|
| ঢাকা |
| বিমানবন্দর |
| ভৈরব বাজার |
এগারো সিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
| এগারো সিন্দুর প্রভাতী (৭৩৭) |
|---|
| ঢাকা |
| বিমানবন্দর |
| নরসিংদী |
| ভৈরব বাজার |
মহানগর প্রভাতী (৭০৪) ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
| মহানগর প্রভাতী (৭০৪) |
|---|
| ঢাকা |
| বিমানবন্দর |
| নরসিংদী |
| ভৈরব বাজার |
কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৮১) ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
| কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস (৭৮১) |
|---|
| ঢাকা |
| বিমানবন্দর |
| নরসিংদী |
| মেথিকান্দা |
| ভৈরব বাজার |
চট্টালা এক্সপ্রেস (৮০২) ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
| চট্টালা এক্সপ্রেস (৮০২) |
|---|
| ঢাকা |
| বিমানবন্দর |
| নরসিংদী |
| মেথিকান্দা |
| ভৈরব বাজার |
উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
| উপকূল এক্সপ্রেস (৭১২) |
|---|
| ঢাকা |
| বিমানবন্দর |
| নরসিংদী |
| ভৈরব বাজার |
এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) ট্রেনের
স্টপিস স্টেশন
| এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) |
|---|
| ঢাকা |
| বিমানবন্দর |
| নরসিংদী |
| মেথিকান্দা |
| ভৈরব বাজার |
মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
| মহানগর এক্সপ্রেস (৭২২) |
|---|
| ঢাকা |
| বিমানবন্দর |
| নরসিংদী |
| ভৈরব বাজার |
উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
| উপবন এক্সপ্রেস (৭৩৯) |
|---|
| ঢাকা |
| বিমানবন্দর |
| নরসিংদী |
| ভৈরব বাজার |
তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) ট্রেনের স্টপিস স্টেশন
| তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) |
|---|
| ঢাকা |
| বিমানবন্দর |
| ভৈরব বাজার |
ঢাকা টু ভৈরব কত কিলোমিটার
আপনারা অনেকে ঢাকা টু ভৈরব কত কিলোমিটার জানতে চেয়েছেন। ঢাকা থেকে ভৈরব প্রায়
৭৭ থেকে ৭৮ কিলোমিটার। এই পথটি আপনি যদি সড়ক পথ দিয়ে কোন বাস বা প্রাইভেট কারে
যেতে চান, তাহলে প্রায় ১.৫ ঘন্টা থেকে ২ ঘন্টা সময় লাগতে পারে। তবে এই সময়টা
মূলত নির্ভর করবে রাস্তায় ট্রাফিক আবহাওয়া এবং গাড়ি কত দ্রুত চলছে তার উপর।
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে
আপনারা জানতে চেয়েছেন যে ঢাকা থেকে ভৈরব ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে। ঢাকা থেকে
ভৈরব ট্রেনে যেতে প্রায় ১.৫ থেকে ২ ঘন্টা সময় লাগতে পারে। তবে এই সময়টা কিছু
কম বা বেশি হতে পারে। কারণ সময়টা নির্ভর করে ট্রেনের ধরন, সময়সূচী এবং পথে
কতগুলো স্টেশনে থামে তার উপর। এই রুটে আন্তঃনগর ট্রেনের পাশাপাশি বেশ কিছু
লোকাল ট্রেন চলাচল করে।
আন্তঃনগর ট্রেনগুলো ঢাকা থেকে ভৈরব রুটে দ্রুত গতিতে যায়। যার কারণে যাত্রীরা
খুব কম সময়ের মধ্যে ঢাকা থেকে ভৈরব পৌছাতে পারে। আর লোকাল ট্রেনগুলো পথে অনেক
স্টেশনে থামে। যার কারণে গন্তব্য স্থানে পৌঁছাতে একটু সময় বেশি লাগে। ট্রেন
ভ্রমনের সব থেকে মজার বিষয় হচ্ছে, রেলপথে কোন যানজটের সমস্যা থাকে না। যার
কারণে যাত্রা হয় নির্ভরযোগ্য।
ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়া ট্রেনের সুবিধা ও অসুবিধা
ঢাকা থেকে ভৈরব ট্রেনে করে গেলে অনেক সুবিধা আছে। আবার বেশ কিছু অসুবিধাও
আছে। আপনারা যদি ট্রেনে ঢাকা থেকে ভৈরব যান। তবে টাকার দিক দিয়ে
অনেক সাশ্রই হবে। সেই সাথে সড়ক পথের থেকে ট্রেনে বেশি আরাম
পাবেন এবং নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন। এছাড়াও ভ্রমনে বিরক্ত
লাগলে আপনি ট্রেনের মধ্যে চলাফেরা করতে পারবেন।
ট্রেনের ক্যান্টিন থেকে খাবার কিনেও খেতে পারবেন। তাছাড়া আরো অনেক
সুযোগ সুবিধা আছে। যেমন ট্রেনে প্রসাব পায়খানার ব্যবস্থা আছে। আর অসুবিধা
বলতে ট্রেনে অনেক ভিড় থাকে, মাঝেমধ্যে গন্তব্যে যেতে একটু সময় বেশি
লাগতে পারে। তারপর ট্রেনে ভিড় হওয়ার কারণে এখানে জিনিসপত্র চুরি হয়ে
যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই সতর্ক হয়ে ট্রেন ভ্রমণ করতে হবে।
ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা
ঢাকা থেকে যখন ভৈরব ট্রেনে করে যাবেন। ট্রেনে যাওয়ার আগে টিকিট কেটে নিবেন
এবং সে টিকিট ভ্রমণের আগে নিয়েছেন কি না দেখে নেবেন। আপনার প্রয়োজনীয়
জিনিসপত্র আপনার ব্যাগে গুছিয়ে নিবেন। তারপর ট্রেন ছাড়ার আধা ঘন্টা আগে
স্টেশনে উপস্থিত হবেন।
ট্রেন আসলে তাড়াহুড়ো না করে ট্রেন থামবে। তখন আস্তে করে আপনার সিটে গিয়ে
বসবেন। ভিড়ের মধ্যে সতর্ক থাকবেন এবং আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বিশেষ করে
ব্যাগ বা লাগেজ আপনার নজরে রাখবেন। অপরিচিত কারো কাছে কোন খাবার খাবেন
না। আর ট্রেনে কোন সমস্যা হলে নিরাপত্তা কর্মীদের জানাবেন।
FAQ/ঢাকা টু ভৈরব ট্রেন সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে ভৈরব সর্বপ্রথম কোন ট্রেন যায়?
উত্তরঃ পার্বত এক্সপ্রেস ৭০৯ নামের একটি ট্রেন সকাল ছয়টা ত্রিশে প্রথম
ঢাকা থেকে ভৈরবের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাই।
প্রশ্নঃ ট্রেনের টিকিট কি অনলাইনে কাটা যায়?
উত্তরঃ এখনকার সময়ে আপনি খুব সহজে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বাড়িতে বসে থেকে
কাটতে পারবেন। আপনি বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
অথবা গুগল প্লে স্টোর থেকে রেল সেবা অ্যাপ ডাউনলোড করে।
সেখানে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে রেজিস্টার করে ট্রেনের টিকিট
কাটতে পারবেন।
প্রশ্নঃ শোভন চেয়ার এবং এসি সিটের ভাড়া কত?
উত্তরঃ ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়ার জন্য এই ট্রেনগুলোতে শোভন চেয়ারের ভাড়া
১২৫ টাকা এবং এসি সিটের জন্য ২৮২ টাকা। আর আপনি যদি স্নিগ্ধা চেয়ার নেন তবে
২৩৬ টাকা, এসি বার্থ ৪৭৬ টাকা ভাড়া পড়বে।
প্রশ্নঃ প্রতিদিন কোন ট্রেনগুলো ঢাকা থেকে ভৈরব যায়?
উত্তরঃ ঢাকা থেকে ভৈরব প্রতিদিন দশটি ট্রেন চলে। শুধুমাত্র সাপ্তাহিক
ছুটির দিন বাদে। কিন্তু তিনটি ট্রেনের কোন সাপ্তাহিক ছুটি থাকে না। এই ট্রেন
সপ্তাহে সাত দিন ঢাকা থেকে ভৈরব যায়। এই তিনটি ট্রেনের নাম হচ্ছে, মহানগর
প্রভাতী (৭০৪), এগারো সিন্ধুর গোধূলি (৭৪৯) ও তূর্ণা এক্সপ্রেস
(৭৪২)।
আরো পড়ুনঃ ঢাকা টু সিলেট ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
প্রশ্নঃ ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়া সর্বশেষ ট্রেন কয়টায়?
উত্তরঃ ঢাকা থেকে ভৈরব সকাল ৬:৩০ মিনিট থেকে ট্রেন চলাচল শুরু করে এবং
রাত ১১:১৫ মিনিটে শেষ ট্রেন যায়। ঢাকা থেকে ভৈরব সর্বশেষ যে ট্রেনটি
যায় তার নাম তূর্ণা এক্সপ্রেস (৭৪২) এই ট্রেন রাত এগারোটা পনেরো মিনিটে
ঢাকা থেকে ছাড়ে।
শেষ কথাঃ ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী
ঢাকা টু ভৈরব ট্রেনের সময়সূচী নিয়ে উপরে বলা হয়েছে। যদি ঢাকা
থেকে ভৈরব ট্রেনে করে যেতে চান। তবে কখন কোন সময় এই ট্রেনগুলো
ছাড়ে তা আপনাদের জানা অনেক দরকারি। এই ট্রেনগুলোর সময়সূচী জানতে
পারলে আপনি সঠিক সময়ে এই ট্রেনগুলো ধরতে পারবেন এবং নিশ্চিন্তে ঢাকা থেকে
ভৈরব যেতে পারবেন। এছাড়াও ঢাকা থেকে ভৈরব যাওয়া ট্রেন গুলোর টিকিটের
ভাড়া কত,
এই রুটে কয়টি ট্রেন চলাচল করে তার নাম, এই ট্রেনগুলো কোন দিন বন্ধ
থাকে এবং ঢাকা থেকে ভৈরব ট্রেনে যাওয়ার সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে উপর
থেকে পড়ে নিবেন। এই বিষয়গুলো যদি আপনি আগে থেকে জেনে নেন। তবে ঢাকা
থেকে ভৈরব ট্রেনে যেতে আপনার সুবিধা হবে। ট্রেনে করে ভ্রমণ করবেন, তখন
সতর্ক থাকবেন। আর কোন সমস্যার মধ্যে পড়লে ট্রেনের দায়িত্বে থাকা
কর্মচারীদের কাছে সাহায্য নিবেন।

অপরাজিতা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url