কারি পাতা কোথায় পাওয়া যাবে ও ত্বকে কারিপাতার ব্যবহার
আজকের এই আর্টিকেলটি থেকে আপনি কারি পাতা কোথায় পাওয়া যাবে এবং এই গাছের
গুনাগুন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
এর পাশাপাশি আপনি এখান থেকে কারি পাতা গাছের ব্যবহার এবং এই গাছ চেনার উপায়
সম্পর্কেও সম্পূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন। তাই দেরি না করে আজকের এই আর্টিকেলটি
প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালোভাবে পড়বেন।
পেজ সুচিপত্রঃ কারি পাতা কোথায় পাওয়া যাবে
-
কারি পাতা কোথায় পাওয়া যাবে
-
কারি পাতার গাছ কীভাবে পাবো
-
কারি পাতা চেনার উপায় সম্পর্কে
-
কারি পাতার ব্যবহার চুলের যত্নে
-
কারি পাতা গাছের উপকারিতা কি
-
কিভাবে কারি পাতা গাছের যত্ন নিব
-
কারি পাতার গাছ টবে লাগাবেন যেভাবে
-
পেটের সমস্যায় কারি পাতার ব্যবহার
-
কারি পাতা কিভাবে ত্বককে সুস্থ রাখে
-
কারি পাতা বীজ থেকে চারা উৎপাদন করার নিয়ম
-
লেখক এর মন্তব্যঃ কারি পাতা কোথায় পাওয়া যাবে
কারি পাতা কোথায় পাওয়া যাবে
কারি পাতা কোথায় পাওয়া যাবে এটা আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন। কারিপাতা আপনি যেকোনো
বড় সবজির দোকান অথবা কোনো হাট বাজারের দিনে হাটে গিয়ে সেখান থেকে পেতে পারেন।
কারণ এই পাতাটি আপনি সাধারন কোনো দোকানে নাও পেতে পারেন, তাই হাট বাজারে খোজ নিতে
পারেন।
কারি পাতা অনেক উপকারী এটার পাতা সংগ্রহ করার থেকে এর গাছ লাগানো বেশি
গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি গাছ থাকলে সেখান থেকে আপনি ইচ্ছামতো কারি পাতা সংগ্রহ
করতে পারবেন। এবার প্রশ্ন আসে গাছ কোথা থেকে পাবেন। নার্সারি কারি পাতা গাছ
সংগ্রহ করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। আপনি গাছের নার্সারি গুলোতে কারি
পাতার গাছ খুব সহজে পেতে পারেন।
আপনি বাংলাদেশের রংপুর, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, রাজশাহী এবং লালমনিরহাট
এই বিভাগগুলোতে যেসব নার্সারি থাকে। সেসব নার্সারিতে যদি একটু ভালো করে
পর্যবেক্ষণ করেন, তাহলে অবশ্যই কারি পাতার গাছ পাবেন। তাছাড়া বাংলাদেশের আরো
কিছু স্থান রয়েছে যেগুলোতে আপনি এই কারি পাতার গাছ খুব সহজে পেতে পারেন। সেগুলো
হচ্ছে বগুড়ার সৈয়দপুর অঞ্চলে।
আপনি যদি গ্রাম অঞ্চলের দিকে একটু লক্ষ্য করেন, তাহলে এই গাছ পেতে পারেন। কারণ এই
গাছ সাধারণত সব অঞ্চলেই হয়ে থাকে। বিশেষ করে যে অঞ্চলে বৃষ্টি বেশি হয় সেইসব
অঞ্চলে এই গাছ গুলো খুব সহজেই জন্ম নিয়ে থাকে। আপনি কারি পাতা কোথায় থেকে পাবেন
সেটি নিচে আরেকটু সহজ করে পয়েন্ট আকারে উল্লেখ করা হলো অবশ্যই মনোযোগ সহকারে
দেখবেন।
কারি পাতার গাছ কিভাবে পাবো
আপনি কারি পাতা গাছ আপনার স্থানীয় নার্সারি থেকে খুব সহজেই পেতে পারেন। একটু
ভালোভাবে খোঁজ নিলে এই কারি পাতার গাছটি আপনি পাবেন। ঢাকার মধ্যে আপনি আগারগাঁও
কৃষি প্রদর্শনী কেন্দ্র থেকে, হাতিরঝিল নার্সারি থেকে। মিরপুর বোটানিকাল
গার্ডেনের পাশে এবং বনানী নিউ ইস্কাটন সড়কের পাশে কিছু নার্সারি রয়েছে সেখান
থেকে গাছ পেতে পারেন।
তাছাড়া আপনি চট্টগ্রামের মধ্যে পোলো গ্রাউন্ড, আলমাস, আগ্রাবাদ নাসারি এগুলো থেকে
এই গাছ সংগ্রহ করতে পারেন। তারপর রাজশাহী, খুলনা, সিলেটর বড় নার্সারি বা শহরে
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কাছাকাছি যে নাসারি গুলো আছে। সেগুলোতে আপনি একটু
খোঁজ করলেই এই গাছ পেয়ে যাবেন।
বর্তমানে কারি পাতার গাছ আপনি অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই পেতে পারেন। আপনি
ফেসবুক অথবা বিভিন্ন অনলাইন মার্কেট প্ল্যাটফর্ম গুলোতে এই গাছটি খুঁজে পাবেন।
সেই সব জাইগা থেকে এই গাছটি খুব সহজে অর্ডার করতে পারবেন। অবশ্যই গাছ কেনার সময়
আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে সে গাছের চারা যেন সতেজ হয়, পাতা যেন শুকনো না হয়।
খুব ছোট চারা না নিয়ে একটু মাঝারি সাইজের গাছ কিনলে সেগুলো বাড়িতে সহজে টবে
লাগাতে পারবেন এবং গাছ নেওয়ার সময় জিজ্ঞাসা করে নিবেন যে এ গাছটি বীজ থেকে
জন্মাইছে না কাটিং করা অবশ্যই চেষ্টা করবেন বিচ বীজ থেকে জন্মানো গাছ ক্রয় করার।
তবে এগুলোর চাইতে আপনি খুব সহজেই আপনার আশেপাশে নাসারী গুলোতে খোঁজ করলেই পেয়ে
যাবেন।
কারি পাতা চেনার উপায় সম্পর্কে
কারি পাতা এবং নিম পাতা এই দুটাকেই দেখতে একদম একই রকম লাগে। প্রথমে আপনাকে এই
পাতার গঠন লক্ষ্য করতে হবে। কারি পাতা গাছের পাতা গুলো গুচ্ছ আকারে গাঠ ধরে জন্মে
এবং একটি ডাটার সাথে ১০ থেকে ২০ টি ছোট পাতার সমন্বয়ে গঠন হয়। কারি পাতার আকৃতি
লম্বা এবং একটু সরু ডিম্বাকার হয়ে থাকে।
এই পাতার রং গারো সবুজ রঙের হয়। পাতা টা একটু চকচকেও মসৃণ হয়, পাতার সাইডগুলো
হালকা ঢেউ ঢেউ হয়ে থাকে। এই পাতাটি চেনার সবচেয়ে বড় উপায় হচ্ছে এ পাতাটির
গন্ধ। পাতাটি একটু ঘষলে এক ধরনের ঝাঁঝালো মসলা মাখা লেবুর মত সৌগন্ধ বার হয়। এই
গন্ধে কারি পাতা অন্য সব পাতা থেকে আলাদা। এটা আপনি খুব সহজেই বুঝে নিতে
পারবেন।
গাছটি দেখতে জঙ্গল ঝোপাকৃতি এবং উচ্চতা হয় মাঝারি। এর সর্বোচ্চ ৬ থেকে ৭ ফুট
উচ্চতা হতে পারে। এই গাছ ছাল মসৃণ ও হালকা বাদামি রংয়ের হয়। এই গাছের ফল ছোট ও
কালো রঙের গোল আকৃতি হয়ে থাকে। এ গাছের ফল খাওয়ার জন্য উপজুক্ত নয়। এছাড়াও এ
পাতা আপনি খুব সহজেই চিহ্নিত করতে পারবেন। কেননা নিম পাতায় কোন গন্ধ নেই এবং
নিমপাতা তেতো।
কারি পাতার ব্যবহার চুলের যত্নে
বর্তমানে চুল পড়া আমাদের একটি সাধারণ ব্যাপার হয়ে গেছে। আমরা অনেকেই
আমাদের চুল পড়া নিয়ে অনেক চিন্তিত। যে কিভাবে আমরা আমাদের চুল পড়া বন্ধ করতে
পারব। কারি পাতা কিভাবে ব্যবহার করলে আমাদের চুলের জন্য উপকারী হবে।
বর্তমান সময়ে আমাদের চুল অনেক বেশি উঠে, যার কারণে আমরা অনেক দুশ্চিন্তায়
থাকি। আমাদের এই চুল পড়া রোধে কারি পাতা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রাখে। কারি পাতা আমাদের চুলকে শক্ত করে এবং চুল পড়া বন্ধ করেন ও
চুলকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
চুলের যত্নে কারি পাতার ব্যবহার অনেক জনপ্রিয় এবং আদিকাল থেকেই এর ব্যবহার চুলের
জন্য করা হচ্ছে। কারি পাতায় অনেক উপকারী পুষ্টি উপাদান থাকার কারণে আমাদের
চুলকে শক্ত এবং ঝলমলে করতে সাহায্য করে। কারি পাতা আপনি সিদ্ধ করে সেই পানি
চুলে লাগালে আপনি এর উপকারিতা নিজেই দেখতে পাবেন। তাই চেষ্টা করবেন চুলের যত্নে
নিয়মিত কারি পাতা ব্যবহার করার।
কারি পাতা গাছের উপকারিতা কি
কারি পাতা আমাদের শরীরের বিভিন্ন চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনকি
এটি রান্নার কাজেও ব্যবহার করা হয়। কারি পাতা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক
উপকারী একটি উপাদান। কারি পাতাতে থাকা ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে। আসুন আর একটু
বিস্তারিত ভাবে জেনে নেই এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কি কি ভাবে উপকার করে থাকে।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেঃ কারিপাতা রস রক্তে শর্করার মাত্রা সঠিক ও
নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি ইনসুলিন নিঃসরণের প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং
প্যানক্রিয়াসের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
হজম শক্তি বৃদ্ধিতে কারি পাতাঃ কারি পাতা হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর
করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এটি আমাদের পেটের গ্যাস বদহজম এবং আরো যেগুলো সমস্যা
থাকে আমাদের পেটের সেগুলোকে ভালো করে।
কারি পাতা দিয়ে ত্বকের যত্নঃ কারি পাতার মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং
এন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান ত্বকের নানা রকম সমস্যা যেমন তকে ব্রণ, মেছতা ও
ফুসকুড়ি ভালো করে। চুলের যত্নেও কারি পাতা বিশেষ অবদান রাখে। চুল ঝরে যাওয়া,
চুল চুল রুক্ষ থাকা এই সকল ক্ষেত্রে কারি পাতা ব্যবহার করলে চুল থাকে সুস্থ,
সুন্দর এবং ঝলমলে।
হার্টের সুস্থতাতে কারি পাতার উপকারিতাঃ কারি পাতা আমাদের শরীরের কোলেস্টেরলের
মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে আমাদের হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
রান্নার ক্ষেত্রে কারি পাতার ব্যবহার
মসলা হিসেবে কারি পাতার ব্যবহার করতে পারেন। রান্নার শুরুতেই আপনি তেলের
সাথে কারি পাতা দিয়ে দিলে খাবারে একটি সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর সুগন্ধ পাবেন। আপনি
চাইলে মচমচে খাবারে কারি পাতার ব্যবহার করতে পারেন। এই কারি পাতা খাবারে
অনেক সুন্দর একটি স্বাদ তৈরি করে। এটি আপনি তরকারি ও চপে ব্যবহার করতে পারেন যেমন
ডাল, মাছ ও মাংস। এই পাতা রান্নাতে ব্যবহার করা হলে এটা তরকারির স্বাদ
এবং তরকারির পুষ্টিগুণ বাড়িয়ে দেয়।
কিভাবে কারি পাতা গাছের যত্ন নিব
কারিপাতা গাছ সঠিক যত্নের মাধ্যমে অনেক তাড়াতাড়ি বড় হয় এবং পাতাগুলো সব
সময় টাটকা হয়ে থাকে। এই গাছটি লাগানোর জন্য প্রথমে আমাদেরকে বীজ সংগ্রহ করতে
হবে। তারপর কিছুদিন ভিজিয়ে রেখে সেগুলোকে রোপন করতে হবে। এই চারা রোপনের জন্য
উপযুক্ত মাটি হচ্ছে বেলে দোয়াস মাটি এবং সঠিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা করতে হবে। পানি
ও সার প্রয়োগ করতে হবে গাছের শিকড়ে।
পরিমিত পানি দিতে হবে, অতিরিক্ত দিলে শিকড় পৌচে যেতে পারে। গাছ দ্রুত বড় করার
জন্য প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ করতে পারেন। প্রাকৃতিক স্যার হিসেবে আপনি গোবর
কম্পোস্ট সার ও তরল জৈব সার ব্যবহার করতে পারেন। এই গাছটির জন্য পর্যাপ্ত রোদ
প্রয়োজন, তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন অতিরিক্ত গরমে গাছটি নষ্ট না হয়ে যায়।
এছাড়াও আপনি চাইলে এই গাছটির যত্ন নেওয়ার জন্য কীটনাশকের পরিবর্তে প্রাকৃতিক
পদ্ধতিতে কীটপতঙ্গ দমন করতে পারেন।
কারি পাতার গাছ টবে লাগাবেন যেভাবে
প্রথমে আপনি একটি টব নিবেন তারপর আপনি গাছের জন্য প্রয়োজনীয় মাটি প্রস্তুত
করবেন। মাটি প্রস্তুত হলে প্রয়োজন অনুযায়ী স্যার কীটনাশক সেই মাটিতে মিশাই
দিবেন। সবকিছু ভালোভাবে করার পর এবার আপনি গাছটি রোপন করবেন। টবে গাছ লাগালে এর
উপকারিতা আপনি পাবেন বহুদিন।
যেমন ধরেন এটি আপনি বিভিন্ন স্থানে পরিবর্তন করতে পারবেন। আপনি এক জায়গা থেকে
অন্য জায়গায় এটি সরাতে পারবেন। ফলে প্রয়োজনমতো সূর্যের আলো ও পরিমান
অনুযায়ী পানি দিতে পারবেন। এতে বহুদিন এই গাছটি সুন্দর ও ভালো থাকবে এবং এটি
থেকে আপনি অনেক সময় ধরে উপকার নিতে পারবেন।
পেটের সমস্যায় কারি পাতা ব্যবহার
এতে থাকা ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান আমাদের শরীরকে সুস্থ সবল রাখতে সাহায্য করে।
আমাদের পেটের অনেক সমস্যা যেমন পেট ফাঁপা, গ্যাস্ট্রিক, পেটের মধ্যে শব্দ, পেট
ব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য আরো অনেক সমস্যায় কারি পাতা ব্যবহার করলে এগুলো থেকে
দ্রুত পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। কারি পাতা ব্যবহার করলে আমাদের পেট থাকে সুস্থ
তাই আমাদের উচিত হবে নিয়মিত কারি পাতার ব্যবহার করা।
কারি পাতা কিভাবে ত্বককে সুস্থ রাখে
কারি পাতা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারী একটি উপাদান। কারি পাতা আমাদের
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং মুখের ব্রণ, দাগ, মেছতা এই সকল ধরনের সমস্যা
থেকে আমাদের ত্বককে রক্ষা করে। কারি পাতাতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের
ত্বককে বিভিন্ন ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে।
এর ভেতরে থাকা এন্টিবায়োটিয়াল ও এনটি ইনফ্লামেটরি ব্রণ ও ত্বকের প্রদাহ কমাতে
সাহায্য করে। কারি পাতা রক্ত পরিশোধনের সাহায্য করে। ফলে আমাদের ত্বক
স্বাভাবিকভাবেই উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।কারি পাতার ভেতরে প্রাকৃতিক তেল ও পুষ্টি
উপাদান রয়েছে। যা আমাদের ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। কারি পাতা
আপনি যেভাবে ব্যবহার করবেন।
তা হচ্ছে কিছু টাটকা কারি পাতা আপনি বেটে নিবেন এবং সামান্য তাতে গোলাপ জল
মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে বানিয়ে ব্যবহার করবেন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখে দিয়ে
মুখ ধুয়ে নিবেন। কারি পাতা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারী একটি উপাদান। তাই
আমাদের উচিত নিয়মিত এটি ব্যবহার করা।
কারি পাতা বীজ থেকে চারা উৎপাদন করার নিয়ম
কারি পাতার বীজ থেকে চারা উৎপাদন করলে সেই চারাটি দীর্ঘদিন ধরে বিজ দেওয়ার
সক্ষমতা লাভ করে। অবশ্যই কারি পাতার বীজ থেকে চারা উৎপাদন করতে আপনাকে ভালো বীজ
সংগ্রহ করতে হবে। কেননা ভালো বীজ থেকেই ভালো চারা উৎপাদন হয়। বীজ টি যেন
অবশ্যই একটি ভালো উৎপাদনকারী গাছ থেকে নেওয়া হয়।
এরপর বীজ যে স্থানে রোপন করা হবে সেই স্থানটি ভালো করে পর্যবেক্ষণ করবেন। যেন
সেখানে কোন কীট পতঙ্গর আস্তানা না থাকে। অবশ্যই বীজটি রোপন করার জন্য মাটির
পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন। এরপর সেখানে বীজটি রোপণ করবেন এবং নিয়মিত পানি
দিবেন।
লেখক এর মন্তব্যঃ কারি পাতা কোথায় পাওয়া যাবে
কারি পাতা কোথায় পাওয়া যাবে সেই সম্পর্কে আপনারা ইতিমধ্যেই বিস্তারিত সব জেনে
নিয়েছেন। কারি পাতার উপকারিতা অনেক। এটি আমাদের দেহের অনেক সমস্যার সমাধান করে
থাকে। এমনকি বড় ধরনের রোগ থেকেও এটি আমাদের রক্ষা করে। তাই আমি বলবো নিজেকে
সুস্থ ও সতেজে রাখার জন্য আপনিও নিয়মিত কারি পাতা ব্যবহার করা শুরু করে দিন।
তবে অবশ্যই এটি ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করবেন, তাহলে
আপনি নিরাপদ থাকবেন। আমার এই তথ্য থেকে আপনি যদি উপকৃত হন, তাহলে অবশ্যই
এটি আপনি আপনার পরিচিত মানুষদের কাছে শেয়ার করে দিবেন। আর আমার এই
আর্টিকেলটি নিয়ে আপনার যদি কোন প্রশ্ন বা মতামত থাকে অথবা নতুন কোন বিষয়ে যদি
জানতে চান? তাহলে নিচে থাকা কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন।

অপরাজিতা আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url